জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের কোনো শরণার্থীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। প্রত্যাবাসনের পূর্বে প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা পরিস্থিতি গভীরভাবে যাচাই করা হবে এবং জীবন ঝুঁকিতে পড়ার সামান্যতম আশঙ্কা থাকলেও কাউকে বলপূর্বক ফেরত পাঠানো হবে না।
সম্প্রতি
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ঘোষণা দেন যে মিয়ানমার
সরকার ৫ হাজার রোহিঙ্গা
শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে।
তবে এই ঘোষণার পর
পরই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সম্ভাব্য
প্রত্যাবাসন নিয়ে গভীর উদ্বেগ
প্রকাশ করা হয়।
এর প্রেক্ষিতে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে
মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি বলেন, "মালয়েশিয়া
একটি দায়িত্বশীল দেশ। যদি দেখা
যায়, কাউকে ফেরত পাঠালে তিনি
নির্যাতনের শিকার হবেন বা তার
জীবন ঝুঁকিতে পড়বে, তাহলে তাকে ফেরত পাঠানো
হবে না।"
প্রত্যাবাসন
প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি
আরও যুক্ত করেন, "জীবন ঝুঁকিতে থাকলে
কাউকে ফেরত পাঠানো যাবে
না। বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করছে।"
মিয়ানমারের সামরিক সরকার শরণার্থীদের গ্রহণে প্রাথমিক সম্মতি জানালেও প্রত্যাবাসনের আগে যাবতীয় নির্ধারিত
মানদণ্ড পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে উপযুক্ত মনে
হলেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে
পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নিশ্চিত
করেন তিনি।
জাতিসংঘের
শরণার্থী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে
মালয়েশিয়ায় নিবন্ধিত ২ লাখ ১৫
হাজারের বেশি শরণার্থী অবস্থান
করছেন, যার মধ্যে ১
লাখ ২৬ হাজারের বেশিই
রোহিঙ্গা। সম্প্রতি কুয়ালালামপুরে ইউএনএইচসিআর কার্যালয়ের সামনে জমায়েত হওয়া শতাধিক রোহিঙ্গাকে
আটকের পর এই প্রত্যাবাসন
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে, যদিও বৈধ
কাগজপত্র থাকায় পরে তাদের ছেড়ে
দেওয়া হয়।
এরই
মধ্যে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শরণার্থীদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ
শুরু করলেও দেশটির প্রধান রোহিঙ্গা অধিকার সংগঠনগুলো অবিলম্বে এই পরিকল্পনা স্থগিতের
আহ্বান জানিয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের শরণার্থী
কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী না হওয়া সত্ত্বেও
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বছরের পর
বছর ধরে লাখো আশ্রয়হীন
রোহিঙ্গাকে জায়গা দিয়ে আসছে দেশটি।

বৃহস্পতিবার, ০৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মিয়ানমারের কোনো শরণার্থীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। প্রত্যাবাসনের পূর্বে প্রতিটি মানুষের নিরাপত্তা পরিস্থিতি গভীরভাবে যাচাই করা হবে এবং জীবন ঝুঁকিতে পড়ার সামান্যতম আশঙ্কা থাকলেও কাউকে বলপূর্বক ফেরত পাঠানো হবে না।
সম্প্রতি
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ঘোষণা দেন যে মিয়ানমার
সরকার ৫ হাজার রোহিঙ্গা
শরণার্থীকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে।
তবে এই ঘোষণার পর
পরই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে সম্ভাব্য
প্রত্যাবাসন নিয়ে গভীর উদ্বেগ
প্রকাশ করা হয়।
এর প্রেক্ষিতে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে
মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিল সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি বলেন, "মালয়েশিয়া
একটি দায়িত্বশীল দেশ। যদি দেখা
যায়, কাউকে ফেরত পাঠালে তিনি
নির্যাতনের শিকার হবেন বা তার
জীবন ঝুঁকিতে পড়বে, তাহলে তাকে ফেরত পাঠানো
হবে না।"
প্রত্যাবাসন
প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি
আরও যুক্ত করেন, "জীবন ঝুঁকিতে থাকলে
কাউকে ফেরত পাঠানো যাবে
না। বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করছে।"
মিয়ানমারের সামরিক সরকার শরণার্থীদের গ্রহণে প্রাথমিক সম্মতি জানালেও প্রত্যাবাসনের আগে যাবতীয় নির্ধারিত
মানদণ্ড পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে উপযুক্ত মনে
হলেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে
পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নিশ্চিত
করেন তিনি।
জাতিসংঘের
শরণার্থী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে
মালয়েশিয়ায় নিবন্ধিত ২ লাখ ১৫
হাজারের বেশি শরণার্থী অবস্থান
করছেন, যার মধ্যে ১
লাখ ২৬ হাজারের বেশিই
রোহিঙ্গা। সম্প্রতি কুয়ালালামপুরে ইউএনএইচসিআর কার্যালয়ের সামনে জমায়েত হওয়া শতাধিক রোহিঙ্গাকে
আটকের পর এই প্রত্যাবাসন
আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে আসে, যদিও বৈধ
কাগজপত্র থাকায় পরে তাদের ছেড়ে
দেওয়া হয়।
এরই
মধ্যে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শরণার্থীদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ
শুরু করলেও দেশটির প্রধান রোহিঙ্গা অধিকার সংগঠনগুলো অবিলম্বে এই পরিকল্পনা স্থগিতের
আহ্বান জানিয়েছে। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের শরণার্থী
কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী না হওয়া সত্ত্বেও
মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বছরের পর
বছর ধরে লাখো আশ্রয়হীন
রোহিঙ্গাকে জায়গা দিয়ে আসছে দেশটি।

আপনার মতামত লিখুন