মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রভাবে বিশ্ববাজারে ফের বাড়তে শুরু করেছে স্বর্ণের দাম। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রভাব খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের বাজারেও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ১৭৯ দশমিক ৫২ ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ১৮৮ দশমিক ৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বর্ণের দাম বাড়ার পেছনে মূলত তিনটি কারণ কাজ করছে: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে তেলের দাম কমলেও স্বর্ণের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে যাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের কাছে স্বর্ণ কেনা এখন তুলনামূলক সস্তা। তেলের দাম কমায় মুদ্রাস্ফীতির চাপ কিছুটা কমেছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, আগামী ১৮ মার্চের বৈঠকে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার স্থিতিশীল রাখবে।
ট্রাম্পের যুদ্ধ সমাপ্তির ইঙ্গিতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০ শতাংশেরও বেশি কমেছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়, তবে মার্কিন হামলা আরও তীব্র হতে পারে। উল্লেখ্য, বিশ্ব তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে সরবরাহ করা হয়।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও আজ ঊর্ধ্বমুখী। রুপা, ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮৯ দশমিক ৬০ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনাম, ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ২০৮ দশমিক ১৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্যালাডিয়াম, শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬৯৩ দশমিক ৮৪ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
বিনিয়োগকারীরা এখন ফেব্রুয়ারির মার্কিন ভোক্তা মূল্য সূচক এবং ব্যক্তিগত ভোগ ব্যয় সূচকের দিকে নজর রাখছেন, যা ভবিষ্যতে স্বর্ণের দাম কোন দিকে যাবে তা নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের প্রভাবে বিশ্ববাজারে ফের বাড়তে শুরু করেছে স্বর্ণের দাম। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রভাব খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের বাজারেও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ১৭৯ দশমিক ৫২ ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া এপ্রিল ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ১৮৮ দশমিক ৭০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বর্ণের দাম বাড়ার পেছনে মূলত তিনটি কারণ কাজ করছে: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে তেলের দাম কমলেও স্বর্ণের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের দাম শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ কমে যাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের কাছে স্বর্ণ কেনা এখন তুলনামূলক সস্তা। তেলের দাম কমায় মুদ্রাস্ফীতির চাপ কিছুটা কমেছে। ফলে বিনিয়োগকারীরা আশা করছেন, আগামী ১৮ মার্চের বৈঠকে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার স্থিতিশীল রাখবে।
ট্রাম্পের যুদ্ধ সমাপ্তির ইঙ্গিতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ১০ শতাংশেরও বেশি কমেছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়, তবে মার্কিন হামলা আরও তীব্র হতে পারে। উল্লেখ্য, বিশ্ব তেলের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে সরবরাহ করা হয়।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও আজ ঊর্ধ্বমুখী। রুপা, ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৮৯ দশমিক ৬০ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনাম, ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ২০৮ দশমিক ১৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। প্যালাডিয়াম, শূন্য দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬৯৩ দশমিক ৮৪ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।
বিনিয়োগকারীরা এখন ফেব্রুয়ারির মার্কিন ভোক্তা মূল্য সূচক এবং ব্যক্তিগত ভোগ ব্যয় সূচকের দিকে নজর রাখছেন, যা ভবিষ্যতে স্বর্ণের দাম কোন দিকে যাবে তা নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন