মাম্যাচিংকে চেয়ারম্যান করে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। এক প্রজ্ঞাপনে মোট ১৫ সদস্যের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১৪ জনকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন পরিষদে বান্দরবান সদরসহ আলীকদম, রোয়াংছড়ি, রুমা ও অন্যান্য এলাকার প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) বিকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিষদ-১ শাখা যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯, পরবর্তী সংশোধনী এবং ২০১৪ সালের সংশোধিত আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করেছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন চনুমং, মংক্যনু মারমা, লুসাই মং, মাওসেতুং তংচংগ্যা, দনওয়াই লো, আগস্টিন ত্রিপুরা, অংজাই উই চাক, রিয়াল দাও বম, আবদুল মাবুদ, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন, ক্যউ প্রু খিয়াং, উম্যাসিং মার্মা ও কাজী নিরুতাঞ্জ বেগম।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করা হলো। নতুন পরিষদ দায়িত্ব গ্রহণের পর জেলার পার্বত্য পরিষদ-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
মাম্যাচিং ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংবাদিকতায় সর্বোচ্চ শিক্ষা অর্জন করেন। মার্মা নারীদের মধ্যে প্রথম স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রীধারী তিনি। বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর ৫ম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের (মহিলা) সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি।
এছাড়া বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের সাবেক ট্রাষ্টি ও জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ তিনি বিএনপির উপজাতি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বান্দরবান তথা পার্বত্য জেলার মধ্যে নারী রাজনীতিবিদদের জন্য রোল মডেল মাম্যাচিং। মিষ্টিভাষী ও ক্লিন ইমেজের এই নেত্রী নিজ কর্মগুণে জেলার রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত।
মাম্যাচিং ১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত নারী আসনে সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৭ সাল এবং ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সদস্য।

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬
মাম্যাচিংকে চেয়ারম্যান করে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। এক প্রজ্ঞাপনে মোট ১৫ সদস্যের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১৪ জনকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন পরিষদে বান্দরবান সদরসহ আলীকদম, রোয়াংছড়ি, রুমা ও অন্যান্য এলাকার প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগষ্ট) বিকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিষদ-১ শাখা যুগ্মসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯, পরবর্তী সংশোধনী এবং ২০১৪ সালের সংশোধিত আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করেছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নতুন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন চনুমং, মংক্যনু মারমা, লুসাই মং, মাওসেতুং তংচংগ্যা, দনওয়াই লো, আগস্টিন ত্রিপুরা, অংজাই উই চাক, রিয়াল দাও বম, আবদুল মাবুদ, মশিউর রহমান, মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন, ক্যউ প্রু খিয়াং, উম্যাসিং মার্মা ও কাজী নিরুতাঞ্জ বেগম।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করা হলো। নতুন পরিষদ দায়িত্ব গ্রহণের পর জেলার পার্বত্য পরিষদ-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
মাম্যাচিং ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংবাদিকতায় সর্বোচ্চ শিক্ষা অর্জন করেন। মার্মা নারীদের মধ্যে প্রথম স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রীধারী তিনি। বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার পর ৫ম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের (মহিলা) সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি।
এছাড়া বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের সাবেক ট্রাষ্টি ও জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ তিনি বিএনপির উপজাতি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বান্দরবান তথা পার্বত্য জেলার মধ্যে নারী রাজনীতিবিদদের জন্য রোল মডেল মাম্যাচিং। মিষ্টিভাষী ও ক্লিন ইমেজের এই নেত্রী নিজ কর্মগুণে জেলার রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত।
মাম্যাচিং ১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত নারী আসনে সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৭ সাল এবং ২০১৭ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বান্দরবান জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সদস্য।

আপনার মতামত লিখুন