সৌদি আরবে আকর্ষণীয় বেতনে ড্রাইভিং চাকরির লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া এক সংঘবদ্ধ মানবপাচার ও অভিবাসন প্রতারক চক্রের সদস্যরা হাতেনাতে ধরা পড়েছে।
পুলিশের
অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) রাজধানীর বনানী এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চক্রের ৫
সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় তাদের
কাছ থেকে ৫১টি বাংলাদেশি
পাসপোর্ট, ৩টি স্মার্টফোন এবং
প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একাধিক
রেজিস্টার উদ্ধার করা হয়।
অনলাইনে
আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ‘সৌদি
আরবে মাসে ২ হাজার
৫০০ রিয়াল বেতনে ড্রাইভিংয়ের চাকরি’। এমন প্রচারণায়
প্রলুব্ধ হয়ে পরিবারের ভাগ্যের
চাকা ঘোরাতে দালালদের ফাঁদে পা দেন এক
ভুক্তভোগী যুবক। তিনি ৩ লাখ
৭০ হাজার টাকার চুক্তিতে ২ লাখ ৬৬
হাজার টাকা পরিশোধও করেন।
তবে তাকে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী
ড্রাইভিং ভিসা না দিয়ে
দেওয়া হয় ট্যুরিস্ট ভিসা।
একইভাবে আরও একাধিক ব্যক্তির
কাছ থেকে প্রায় ১৯
লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে
এই চক্রটি।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে সিআইডির বিশেষ
পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান
বলেন, "অনলাইনে ড্রাইভিং ভিসায় শতভাগ নিশ্চয়তার বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করলে
চক্রটি ভুক্তভোগীকে বনানীর অফিসে ডাকে। পরবর্তীতে ড্রাইভিং ভিসার কথা বলে মোটা
অঙ্কের টাকা নিলেও তাকে
ট্যুরিস্ট ভিসা দেওয়া হয়।
প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী বনানী
থানায় মামলা করেন।"
তিনি
আরও জানান, সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির আরও কয়েকজনের কাছ
থেকে প্রায় ১৯ লাখ টাকা
আত্মসাৎ এবং পাসপোর্ট জিম্মি
রেখে পাচারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। বর্তমানে মামলার পুরো তদন্ত কার্যক্রম
সিআইডির মানবপাচার শাখা পরিচালনা করছে
এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতারণা
থেকে বাঁচতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন এই ঊর্ধ্বতন পুলিশ
কর্মকর্তা। বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান
নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, "বিদেশে কর্মসংস্থান বা ভ্রমণের ক্ষেত্রে
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রলোভনে
পড়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া অর্থ বা
পাসপোর্ট হস্তান্তর করবেন না। শুধু সরকার
অনুমোদিত ও বৈধ প্রক্রিয়া
অনুসরণ করুন। কেউ অস্বাভাবিক টাকা
দাবি করলে কিংবা পাসপোর্ট
জিম্মি রাখলে দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অথবা সিআইডিকে জানান।"

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
সৌদি আরবে আকর্ষণীয় বেতনে ড্রাইভিং চাকরির লোভ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া এক সংঘবদ্ধ মানবপাচার ও অভিবাসন প্রতারক চক্রের সদস্যরা হাতেনাতে ধরা পড়েছে।
পুলিশের
অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) রাজধানীর বনানী এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চক্রের ৫
সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় তাদের
কাছ থেকে ৫১টি বাংলাদেশি
পাসপোর্ট, ৩টি স্মার্টফোন এবং
প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একাধিক
রেজিস্টার উদ্ধার করা হয়।
অনলাইনে
আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, ‘সৌদি
আরবে মাসে ২ হাজার
৫০০ রিয়াল বেতনে ড্রাইভিংয়ের চাকরি’। এমন প্রচারণায়
প্রলুব্ধ হয়ে পরিবারের ভাগ্যের
চাকা ঘোরাতে দালালদের ফাঁদে পা দেন এক
ভুক্তভোগী যুবক। তিনি ৩ লাখ
৭০ হাজার টাকার চুক্তিতে ২ লাখ ৬৬
হাজার টাকা পরিশোধও করেন।
তবে তাকে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী
ড্রাইভিং ভিসা না দিয়ে
দেওয়া হয় ট্যুরিস্ট ভিসা।
একইভাবে আরও একাধিক ব্যক্তির
কাছ থেকে প্রায় ১৯
লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে
এই চক্রটি।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে সিআইডির বিশেষ
পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান
বলেন, "অনলাইনে ড্রাইভিং ভিসায় শতভাগ নিশ্চয়তার বিজ্ঞাপন দেখে যোগাযোগ করলে
চক্রটি ভুক্তভোগীকে বনানীর অফিসে ডাকে। পরবর্তীতে ড্রাইভিং ভিসার কথা বলে মোটা
অঙ্কের টাকা নিলেও তাকে
ট্যুরিস্ট ভিসা দেওয়া হয়।
প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে ভুক্তভোগী বনানী
থানায় মামলা করেন।"
তিনি
আরও জানান, সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে চক্রটির আরও কয়েকজনের কাছ
থেকে প্রায় ১৯ লাখ টাকা
আত্মসাৎ এবং পাসপোর্ট জিম্মি
রেখে পাচারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। বর্তমানে মামলার পুরো তদন্ত কার্যক্রম
সিআইডির মানবপাচার শাখা পরিচালনা করছে
এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতারণা
থেকে বাঁচতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন এই ঊর্ধ্বতন পুলিশ
কর্মকর্তা। বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান
নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, "বিদেশে কর্মসংস্থান বা ভ্রমণের ক্ষেত্রে
কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রলোভনে
পড়ে যাচাই-বাছাই ছাড়া অর্থ বা
পাসপোর্ট হস্তান্তর করবেন না। শুধু সরকার
অনুমোদিত ও বৈধ প্রক্রিয়া
অনুসরণ করুন। কেউ অস্বাভাবিক টাকা
দাবি করলে কিংবা পাসপোর্ট
জিম্মি রাখলে দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অথবা সিআইডিকে জানান।"

আপনার মতামত লিখুন