পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের নিয়োগ সংবিধান মেনেই দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবে তিনি দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকরা জানতে চান, যেহেতু সংবিধান অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিক কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হতে পারেন না, তাই হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কি না।
জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রথম কথা হলো, আইনে যেটা আছে, সেটা আছে। দ্বিতীয় কথা হলো, এই সরকার যা করেছে, সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে সংবিধানের ব্যত্যয় ঘটেনি। আমরা যা করেছি, সাংবিধানিকভাবেই করেছি।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এটাকে বলা হয় “ডিমিং ক্লজ” (অন্তর্নিহিত বিধান)। যখন শপথ দেওয়া হয়েছে, সেটা সাংবিধানিকভাবেই দেওয়া হয়েছে।’
গত ২১ আগস্ট টেকনোক্র্যাট হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ পাওয়া হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে বলে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করলেও তিনি সরাসরি কোনো উত্তর দেননি, যা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
এর আগে গত ২১ আগস্ট প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো দেশের নাগরিক হন, তবে তিনি সংসদ সদস্য হতে পারেন না। একই বিধান মন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তবে সরকার বলছে, হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি শপথ গ্রহণের আগেই সমাধান করা হয়েছে।

শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের নিয়োগ সংবিধান মেনেই দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবে তিনি দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন কি না, সে বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকরা জানতে চান, যেহেতু সংবিধান অনুযায়ী দ্বৈত নাগরিক কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হতে পারেন না, তাই হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কি না।
জবাবে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রথম কথা হলো, আইনে যেটা আছে, সেটা আছে। দ্বিতীয় কথা হলো, এই সরকার যা করেছে, সংবিধান মেনেই করেছে। এখানে সংবিধানের ব্যত্যয় ঘটেনি। আমরা যা করেছি, সাংবিধানিকভাবেই করেছি।’
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এটাকে বলা হয় “ডিমিং ক্লজ” (অন্তর্নিহিত বিধান)। যখন শপথ দেওয়া হয়েছে, সেটা সাংবিধানিকভাবেই দেওয়া হয়েছে।’
গত ২১ আগস্ট টেকনোক্র্যাট হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ পাওয়া হুমায়ুন কবিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে বলে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করলেও তিনি সরাসরি কোনো উত্তর দেননি, যা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
এর আগে গত ২১ আগস্ট প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর প্রতিমন্ত্রী মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
সংবিধানের ৬৬(২)(গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য কোনো দেশের নাগরিক হন, তবে তিনি সংসদ সদস্য হতে পারেন না। একই বিধান মন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তবে সরকার বলছে, হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি শপথ গ্রহণের আগেই সমাধান করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন