আমদানি শুল্ক পরিশোধের পরও বাজারে প্রতি কেজি মাল্টা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। রমজান বা অন্য কোনো ধর্মীয় উপলক্ষকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের চেষ্টা করা হলে সরকার কোনো ছাড় দেবে না বলে সতর্ক করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা ও সরবরাহের গতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সাথে এই সভার আয়োজন করা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সারাবছর শাকসবজি ও খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলাকাভিত্তিক কৃষি উৎপাদনের দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ভৌগোলিক সুবিধা অনুযায়ী দেশের কোন অঞ্চলে কী ফসল ফলানো হবে তা সুনির্দিষ্ট করা গেলে বাজারে যেকোনো পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা সম্ভব হবে।
আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, পেঁয়াজ ও খেজুরসহ প্রয়োজনীয় সব সামগ্রীর সরবরাহ বর্তমানে পর্যাপ্ত রয়েছে এবং বড় একটি চালান আমদানির পাইপলাইনে আছে। যদি কোনো সিন্ডিকেট বা অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন চেম্বারের সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সেলিম রহমান, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এম এ সালাম ও কাস্টমস কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমানসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাবৃন্দ।
/

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
আমদানি শুল্ক পরিশোধের পরও বাজারে প্রতি কেজি মাল্টা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। রমজান বা অন্য কোনো ধর্মীয় উপলক্ষকে কেন্দ্র করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং অতিরিক্ত মুনাফা আদায়ের চেষ্টা করা হলে সরকার কোনো ছাড় দেবে না বলে সতর্ক করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) চট্টগ্রাম নগরের আগ্রাবাদে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা ও সরবরাহের গতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সাথে এই সভার আয়োজন করা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সারাবছর শাকসবজি ও খাদ্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এলাকাভিত্তিক কৃষি উৎপাদনের দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। ভৌগোলিক সুবিধা অনুযায়ী দেশের কোন অঞ্চলে কী ফসল ফলানো হবে তা সুনির্দিষ্ট করা গেলে বাজারে যেকোনো পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা সম্ভব হবে।
আসন্ন রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, পেঁয়াজ ও খেজুরসহ প্রয়োজনীয় সব সামগ্রীর সরবরাহ বর্তমানে পর্যাপ্ত রয়েছে এবং বড় একটি চালান আমদানির পাইপলাইনে আছে। যদি কোনো সিন্ডিকেট বা অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন চেম্বারের সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী, বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সেলিম রহমান, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি এম এ সালাম ও কাস্টমস কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমানসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাবৃন্দ।
/

আপনার মতামত লিখুন