ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অবস্থিত দেশটির শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা এসবিইউ-এর সদরদপ্তরে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। সাড়ে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে এটি রাশিয়ার আঘাত হানা অন্যতম হাই-প্রোফাইল লক্ষ্যবস্তু। বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর নিশ্চিত করেছে।
ইউক্রেন এই হামলাকে যুদ্ধের ‘চরম অবনতি’ বলে অভিহিত করেছে। কিয়েভের ঐতিহাসিক সিটি সেন্টারে হামলার পর আকাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। শহরের মেয়রের দেওয়া তথ্যমতে, হামলায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে জানান, ড্রোনটি সরাসরি এসবিইউ-এর নিরাপত্তা প্রধানের কার্যালয় লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। তিনি এই হামলার কঠোর ও সমোচিত জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
গত কয়েক বছরে ইউক্রেনের সরকারি ভবনগুলোতে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ছিল অত্যন্ত বিরল। রাশিয়ার সামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোতে এসবিইউ-এর পক্ষ থেকে জোরালো হামলা চালানোর পর পাল্টা হিসেবে রাশিয়া এই পদক্ষেপ নিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২২ সালে রাশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে বোমা হামলা এবং ২০২৫ সালে রুশ পারমাণবিক বোমারু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত করার নেপথ্যে এই গোয়েন্দা সংস্থাকেই মূল কারিগর মনে করা হয়।
রাশিয়া এসব কার্যক্রমকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ বলে নিন্দা জানালেও ইউক্রেন নিজেদের প্রতিরক্ষায় এসবিইউ-এর ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। এই হামলার পর উভয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
\

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অবস্থিত দেশটির শক্তিশালী গোয়েন্দা সংস্থা এসবিইউ-এর সদরদপ্তরে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। সাড়ে চার বছর ধরে চলা যুদ্ধে এটি রাশিয়ার আঘাত হানা অন্যতম হাই-প্রোফাইল লক্ষ্যবস্তু। বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর নিশ্চিত করেছে।
ইউক্রেন এই হামলাকে যুদ্ধের ‘চরম অবনতি’ বলে অভিহিত করেছে। কিয়েভের ঐতিহাসিক সিটি সেন্টারে হামলার পর আকাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। শহরের মেয়রের দেওয়া তথ্যমতে, হামলায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামে জানান, ড্রোনটি সরাসরি এসবিইউ-এর নিরাপত্তা প্রধানের কার্যালয় লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। তিনি এই হামলার কঠোর ও সমোচিত জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
গত কয়েক বছরে ইউক্রেনের সরকারি ভবনগুলোতে ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ছিল অত্যন্ত বিরল। রাশিয়ার সামরিক স্থাপনা ও জ্বালানি অবকাঠামোতে এসবিইউ-এর পক্ষ থেকে জোরালো হামলা চালানোর পর পাল্টা হিসেবে রাশিয়া এই পদক্ষেপ নিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২২ সালে রাশিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে বোমা হামলা এবং ২০২৫ সালে রুশ পারমাণবিক বোমারু বিমান ক্ষতিগ্রস্ত করার নেপথ্যে এই গোয়েন্দা সংস্থাকেই মূল কারিগর মনে করা হয়।
রাশিয়া এসব কার্যক্রমকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ বলে নিন্দা জানালেও ইউক্রেন নিজেদের প্রতিরক্ষায় এসবিইউ-এর ভূমিকাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। এই হামলার পর উভয় দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
\

আপনার মতামত লিখুন