চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় একই দিনে পৃথক দুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এর মধ্যে একটি ঘটনায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অন্য ঘটনায় কনের মা-বাবার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার রামনগর নতুনপাড়া ও কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের হুদাপাড়ায় পৃথক এই দুটি অভিযান চালানো হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে উপজেলার রামনগর নতুনপাড়া গ্রামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে মেহেরপুরের সোনাপুর গ্রামের এক যুবকের বিয়ের আয়োজন চলছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালান সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহীন আলম। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে কনেপক্ষের লোকজন সরে পড়ার চেষ্টা করলেও বরের মামা আবুল কালাম ও কনের মা ময়না খাতুন ধরা পড়েন। পরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে তাদের দুজনকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একই দিন বিকেলে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের হুদাপাড়া গ্রামে দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাভলী ইয়াসমিন। গ্রাম পুলিশের সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হলেও প্রশাসনের আসার খবর পেয়ে আগেই বরপক্ষ সটকে পড়ে। ফলে সেখানে কাউকে জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে কিশোরীর মা-বাবার কাছ থেকে একটি অঙ্গীকারনামা বা মুচলেকা নেওয়া হয়। এতে তারা অঙ্গীকার করেন, মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তারা বিয়ে দেবেন না।
দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি ও দণ্ডনীয় অপরাধ। কিশোরীদের অকাল বিয়ে ঠেকাতে প্রশাসনের পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। কোথাও বাল্যবিয়ের প্রস্তুতি চললে দ্রুত প্রশাসনকে জানানোর জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় একই দিনে পৃথক দুটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এর মধ্যে একটি ঘটনায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং অন্য ঘটনায় কনের মা-বাবার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার রামনগর নতুনপাড়া ও কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের হুদাপাড়ায় পৃথক এই দুটি অভিযান চালানো হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে উপজেলার রামনগর নতুনপাড়া গ্রামে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে মেহেরপুরের সোনাপুর গ্রামের এক যুবকের বিয়ের আয়োজন চলছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালান সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহীন আলম। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে কনেপক্ষের লোকজন সরে পড়ার চেষ্টা করলেও বরের মামা আবুল কালাম ও কনের মা ময়না খাতুন ধরা পড়েন। পরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে তাদের দুজনকে ৫ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একই দিন বিকেলে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের হুদাপাড়া গ্রামে দ্বিতীয় অভিযানটি পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাভলী ইয়াসমিন। গ্রাম পুলিশের সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হলেও প্রশাসনের আসার খবর পেয়ে আগেই বরপক্ষ সটকে পড়ে। ফলে সেখানে কাউকে জরিমানা করা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে কিশোরীর মা-বাবার কাছ থেকে একটি অঙ্গীকারনামা বা মুচলেকা নেওয়া হয়। এতে তারা অঙ্গীকার করেন, মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে তারা বিয়ে দেবেন না।
দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি ও দণ্ডনীয় অপরাধ। কিশোরীদের অকাল বিয়ে ঠেকাতে প্রশাসনের পাশাপাশি শিক্ষক, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। কোথাও বাল্যবিয়ের প্রস্তুতি চললে দ্রুত প্রশাসনকে জানানোর জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন