নওগাঁর পোরশায় বিষাক্ত কীটনাশক স্প্রে করে এক কৃষকের সাড়ে পাঁচ বিঘা জমির আমন ধান পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের শ্রীকৃষ্ণপুর গ্রামের হেলেঞ্চাপাড়া (হাতিপাড়া) মাঠে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম গাজিউর রহমান। তিনি ওই গ্রামের মৃত সাবুরুদ্দীনের ছেলে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক গাজিউর রহমান জানান, শ্রীকৃষ্ণপুর মৌজার সরকারি খাস খতিয়ানের ১৭০৬ দাগে ১ একর ৪৮ শতক এবং ১৭০৭ দাগে ৩১ শতকসহ মোট ১ একর ৭৯ শতক (প্রায় সাড়ে পাঁচ বিঘা) জমি ১৯৮৯ সালে তিনি ও তার স্ত্রী তাসকেরা বেগমের নামে ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত নেন। পর থেকেই তারা সেখানে চাষাবাদ করে আসছেন।
তিনি আরও জানান, প্রতিবারের মতো চলতি মৌসুমেও দুই মাস আগে ওই জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করেছিলেন। এবার ফলন বেশ ভালো হয়েছিল। কিন্তু রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা বিষাক্ত কীটনাশক ছিটিয়ে পুরো জমির ধান পুড়িয়ে নষ্ট করে দেয়। এতে তার প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি আইনি পদক্ষেপ ও মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, এখনো কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নওগাঁর পোরশায় বিষাক্ত কীটনাশক স্প্রে করে এক কৃষকের সাড়ে পাঁচ বিঘা জমির আমন ধান পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের শ্রীকৃষ্ণপুর গ্রামের হেলেঞ্চাপাড়া (হাতিপাড়া) মাঠে এ ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম গাজিউর রহমান। তিনি ওই গ্রামের মৃত সাবুরুদ্দীনের ছেলে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক গাজিউর রহমান জানান, শ্রীকৃষ্ণপুর মৌজার সরকারি খাস খতিয়ানের ১৭০৬ দাগে ১ একর ৪৮ শতক এবং ১৭০৭ দাগে ৩১ শতকসহ মোট ১ একর ৭৯ শতক (প্রায় সাড়ে পাঁচ বিঘা) জমি ১৯৮৯ সালে তিনি ও তার স্ত্রী তাসকেরা বেগমের নামে ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত নেন। পর থেকেই তারা সেখানে চাষাবাদ করে আসছেন।
তিনি আরও জানান, প্রতিবারের মতো চলতি মৌসুমেও দুই মাস আগে ওই জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করেছিলেন। এবার ফলন বেশ ভালো হয়েছিল। কিন্তু রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা বিষাক্ত কীটনাশক ছিটিয়ে পুরো জমির ধান পুড়িয়ে নষ্ট করে দেয়। এতে তার প্রায় দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি আইনি পদক্ষেপ ও মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, এখনো কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন