৬ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রাষ্ট্রপতি জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সবকিছুকে ছাপিয়ে যে কথাটি সবার হৃদয়ে গভীরভাবে গেঁথে গেছে, তা হলো আদিবাসী প্রতিনিধি ও নারী নেত্রী আরতি মার্ডীর আবেগঘন ও যৌক্তিক বক্তব্য। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি তুলে ধরেছেন প্রান্তিক মানুষের নানা দাবি ও আকাঙ্ক্ষা। হাজারো মানুষের করতালি ও স্লোগান ছাপিয়ে তখন একটি পরম সত্যই প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল—তা হলো প্রান্তিক মানুষের অন্তহীন আকুতি।
আরতি মার্ডী যখন মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন, তখন তিনি কেবল ব্যক্তি আরতি ছিলেন না; তিনি ছিলেন সমগ্র উত্তরবঙ্গের সাঁওতাল, উরাঁও, কোল, কোডা, মাহালী, মুণ্ডা, মালপাহাড়ি, রাজোয়াড়, তুরি, পাহানসহ ত্রিশাধিক জাতিগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর। নিজ জেলার একজন কৃতী সন্তান, যিনি সাংবিধানিকভাবে দেশের সর্বোচ্চ পদে সমাসীন, তাকে সামনে পেয়ে আরতি মার্ডী আদিবাসীদের বঞ্চনা, অধিকার এবং রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্বের বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন। তিনি যেমন রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে গর্ব ও গৌরব প্রকাশ করেছেন, তেমনি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। আমাদের দেশের সমতলের আদিবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে নানা সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার। ভূমির অধিকার থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা—সব ক্ষেত্রেই তারা পিছিয়ে রয়েছেন। একটি গণতান্ত্রিক সরকারই আদিবাসীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পরিসরে তাদের সম-অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে পারে। একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশে জাতিগত ও সাংস্কৃতিক স্বীকৃতির কতটা প্রয়োজন, তার বক্তব্যে সেটিও স্পষ্ট হয়েছে।
মৌলিক অধিকার ও শিক্ষা: আদিবাসী শিশুদের জন্য নিজস্ব মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং ঝরে পড়া রোধে বিশেষ উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশে ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাই আদিবাসীদের উন্নয়নের মহাসড়কে সামিল করার সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হতে পারে।
কর্মসংস্থান: আদিবাসীরা কর্মঠ ও বিশ্বস্ত—এ বিষয়ে কারও দ্বিমত থাকার কথা নয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আদিবাসীদের মধ্যে দারিদ্র্য বাড়ছে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা ও বাস্তুচ্যুতির কারণে অনেক আদিবাসী পরিবার উদ্বাস্তুতে পরিণত হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ও সরকারি চাকরিতে আদিবাসীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে সামাজিক পরিসরে তাদের সম-অধিকার দেওয়া জরুরি। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানো গেলে আদিবাসীরা নিজেদের অস্তিত্ব ও মর্যাদা নিয়ে টিকে থাকার শক্তি পাবেন।
ভূমির অধিকার ও নিরাপত্তা: সমতলের আদিবাসীদের জমি জবরদখল একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। তাদের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আইনি ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি ও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
আদিবাসী ও আদিবাসী নারীর ক্ষমতায়ন: আদিবাসীরা এখনও সমাজের নানা স্তরে অবহেলা ও উপেক্ষার শিকার। তৃণমূল পর্যায় থেকে সরকারের বিভিন্ন কাঠামোতে যদি সংরক্ষিত আসন বা পদে আদিবাসীদের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের মধ্যে উৎসাহ, উদ্দীপনা ও অংশগ্রহণ বাড়বে। একই সঙ্গে তাদের মেধা ও মনন বিকাশের সুযোগও তৈরি হবে।
আরতি মার্ডী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথাগুলো বলছিলেন। মঞ্চে বসা রাষ্ট্রপতি শুধু তা শোনেনইনি, বরং অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আরতির কথাগুলো নিজের ডায়েরিতে নোট করছিলেন। প্রান্তিক একজন নারীর প্রতিটি কথা রাষ্ট্রের অভিভাবক এভাবে লিপিবদ্ধ করছেন—এই দৃশ্য প্রতীকী অর্থে অত্যন্ত গভীর। এটি যেন প্রমাণ করে, রাষ্ট্র কেবল ওপরতলার মানুষের কথা শোনার প্রতিষ্ঠান নয়; তৃণমূলের অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বরও ধারণ করতে পারে। বক্তব্য শেষে মঞ্চে থাকা আরতি মার্ডীকে রাষ্ট্রপতি হাত তুলে সালাম জানিয়ে যে সম্মান প্রদর্শন করেছেন, তা দেশের সৌহার্দ্য ও মানবিক রাজনীতির একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৯ কোটি আদিবাসী নারী সমাজ ও পরিবেশ রক্ষা, ঐতিহ্যগত জ্ঞান সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা তৈরিতে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন। অথচ আমাদের সমাজের বাস্তবতায় সমতলের আদিবাসী নারীরা এখনও নানামুখী বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার। ভূমির অধিকারসংকট, অর্থনৈতিক অনগ্রসরতা এবং সামাজিক নিরাপত্তার অভাব যেন তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির এই আন্তরিক আচরণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও আশার সঞ্চার করবে।
রাষ্ট্রপতিও তার বক্তব্যে অতীতে দেশের মানুষের ওপর হওয়া নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা উল্লেখ করেছেন এবং একটি সুষম ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। রাষ্ট্রপতির এই সদাশয়তা এবং একজন আদিবাসী নারীর সাহসী কণ্ঠের মেলবন্ধন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—উন্নয়ন তখনই টেকসই ও অর্থপূর্ণ হয়, যখন সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষটিও অনুভব করেন যে তার কথা শোনার মতো কেউ একজন আছেন। রাষ্ট্রপতির ডায়েরিতে টুকে নেওয়া সেই দাবিগুলো যেন কাগজের পাতায় সীমাবদ্ধ না থেকে প্রকৃত নীতিনির্ধারণে প্রতিফলিত হয়—এটাই আদিবাসী সমাজের মূল প্রত্যাশা।
(লেখকের নিজস্ব মত)
[লেখক: কলামিস্ট]

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৬ সেপ্টেম্বর ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রাষ্ট্রপতি জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সবকিছুকে ছাপিয়ে যে কথাটি সবার হৃদয়ে গভীরভাবে গেঁথে গেছে, তা হলো আদিবাসী প্রতিনিধি ও নারী নেত্রী আরতি মার্ডীর আবেগঘন ও যৌক্তিক বক্তব্য। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি তুলে ধরেছেন প্রান্তিক মানুষের নানা দাবি ও আকাঙ্ক্ষা। হাজারো মানুষের করতালি ও স্লোগান ছাপিয়ে তখন একটি পরম সত্যই প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল—তা হলো প্রান্তিক মানুষের অন্তহীন আকুতি।
আরতি মার্ডী যখন মঞ্চে দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন, তখন তিনি কেবল ব্যক্তি আরতি ছিলেন না; তিনি ছিলেন সমগ্র উত্তরবঙ্গের সাঁওতাল, উরাঁও, কোল, কোডা, মাহালী, মুণ্ডা, মালপাহাড়ি, রাজোয়াড়, তুরি, পাহানসহ ত্রিশাধিক জাতিগোষ্ঠীর কণ্ঠস্বর। নিজ জেলার একজন কৃতী সন্তান, যিনি সাংবিধানিকভাবে দেশের সর্বোচ্চ পদে সমাসীন, তাকে সামনে পেয়ে আরতি মার্ডী আদিবাসীদের বঞ্চনা, অধিকার এবং রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্বের বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন। তিনি যেমন রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে গর্ব ও গৌরব প্রকাশ করেছেন, তেমনি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। আমাদের দেশের সমতলের আদিবাসীরা দীর্ঘদিন ধরে নানা সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার। ভূমির অধিকার থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা—সব ক্ষেত্রেই তারা পিছিয়ে রয়েছেন। একটি গণতান্ত্রিক সরকারই আদিবাসীদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পরিসরে তাদের সম-অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে পারে। একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশে জাতিগত ও সাংস্কৃতিক স্বীকৃতির কতটা প্রয়োজন, তার বক্তব্যে সেটিও স্পষ্ট হয়েছে।
মৌলিক অধিকার ও শিক্ষা: আদিবাসী শিশুদের জন্য নিজস্ব মাতৃভাষায় প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং ঝরে পড়া রোধে বিশেষ উপবৃত্তির ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দেশে ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষাই আদিবাসীদের উন্নয়নের মহাসড়কে সামিল করার সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হতে পারে।
কর্মসংস্থান: আদিবাসীরা কর্মঠ ও বিশ্বস্ত—এ বিষয়ে কারও দ্বিমত থাকার কথা নয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আদিবাসীদের মধ্যে দারিদ্র্য বাড়ছে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা ও বাস্তুচ্যুতির কারণে অনেক আদিবাসী পরিবার উদ্বাস্তুতে পরিণত হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ও সরকারি চাকরিতে আদিবাসীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে সামাজিক পরিসরে তাদের সম-অধিকার দেওয়া জরুরি। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানো গেলে আদিবাসীরা নিজেদের অস্তিত্ব ও মর্যাদা নিয়ে টিকে থাকার শক্তি পাবেন।
ভূমির অধিকার ও নিরাপত্তা: সমতলের আদিবাসীদের জমি জবরদখল একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা। তাদের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি আইনি ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে সরকারের বিশেষ দৃষ্টি ও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
আদিবাসী ও আদিবাসী নারীর ক্ষমতায়ন: আদিবাসীরা এখনও সমাজের নানা স্তরে অবহেলা ও উপেক্ষার শিকার। তৃণমূল পর্যায় থেকে সরকারের বিভিন্ন কাঠামোতে যদি সংরক্ষিত আসন বা পদে আদিবাসীদের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে তাদের মধ্যে উৎসাহ, উদ্দীপনা ও অংশগ্রহণ বাড়বে। একই সঙ্গে তাদের মেধা ও মনন বিকাশের সুযোগও তৈরি হবে।
আরতি মার্ডী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কথাগুলো বলছিলেন। মঞ্চে বসা রাষ্ট্রপতি শুধু তা শোনেনইনি, বরং অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আরতির কথাগুলো নিজের ডায়েরিতে নোট করছিলেন। প্রান্তিক একজন নারীর প্রতিটি কথা রাষ্ট্রের অভিভাবক এভাবে লিপিবদ্ধ করছেন—এই দৃশ্য প্রতীকী অর্থে অত্যন্ত গভীর। এটি যেন প্রমাণ করে, রাষ্ট্র কেবল ওপরতলার মানুষের কথা শোনার প্রতিষ্ঠান নয়; তৃণমূলের অবহেলিত মানুষের কণ্ঠস্বরও ধারণ করতে পারে। বক্তব্য শেষে মঞ্চে থাকা আরতি মার্ডীকে রাষ্ট্রপতি হাত তুলে সালাম জানিয়ে যে সম্মান প্রদর্শন করেছেন, তা দেশের সৌহার্দ্য ও মানবিক রাজনীতির একটি সুন্দর দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৯ কোটি আদিবাসী নারী সমাজ ও পরিবেশ রক্ষা, ঐতিহ্যগত জ্ঞান সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা তৈরিতে অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছেন। অথচ আমাদের সমাজের বাস্তবতায় সমতলের আদিবাসী নারীরা এখনও নানামুখী বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার। ভূমির অধিকারসংকট, অর্থনৈতিক অনগ্রসরতা এবং সামাজিক নিরাপত্তার অভাব যেন তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির এই আন্তরিক আচরণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও আশার সঞ্চার করবে।
রাষ্ট্রপতিও তার বক্তব্যে অতীতে দেশের মানুষের ওপর হওয়া নির্যাতন ও বঞ্চনার কথা উল্লেখ করেছেন এবং একটি সুষম ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। রাষ্ট্রপতির এই সদাশয়তা এবং একজন আদিবাসী নারীর সাহসী কণ্ঠের মেলবন্ধন আমাদের মনে করিয়ে দেয়—উন্নয়ন তখনই টেকসই ও অর্থপূর্ণ হয়, যখন সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা মানুষটিও অনুভব করেন যে তার কথা শোনার মতো কেউ একজন আছেন। রাষ্ট্রপতির ডায়েরিতে টুকে নেওয়া সেই দাবিগুলো যেন কাগজের পাতায় সীমাবদ্ধ না থেকে প্রকৃত নীতিনির্ধারণে প্রতিফলিত হয়—এটাই আদিবাসী সমাজের মূল প্রত্যাশা।
(লেখকের নিজস্ব মত)
[লেখক: কলামিস্ট]

আপনার মতামত লিখুন