ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রার্থীর জামানত পাঁচগুণ বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত পাঁচ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য (মেম্বর) প্রার্থীর জামানত ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।
একইসঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর ব্যয়সীমা ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে নির্বাচনী ব্যয়সীমা বেড়েছে দ্বিগুণ। নতুন বিধান অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬-এর সংশোধনীর চূড়ান্ত গেজেটে এসব বিধান যুক্ত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গেজেটে সই করেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তা প্রকাশ করে ইসি।
এর আগে গত মাসে ইউপি নির্বাচন বিধিমালার সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত করে সেটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছিল ইসি। মন্ত্রণালয়ের ভেটিং ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার পর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করলো সংস্থাটি।
ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকারের অন্য চার প্রতিষ্ঠান- উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন এবং জেলা পরিষদের আলাদা আলাদা নির্বাচন বিধিমালাগুলোও আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
সংশোধিত ইউপি নির্বাচন বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকা ট্রেজারি চালান, পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুকূলে জামা দিতে হবে। কোনো প্রার্থীর পক্ষে একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলেও একাধিক জামানতের প্রয়োজন হবে না।
এতে জামানত ফেরতের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ পেলে তার জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ১৫ শতাংশের কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
এ ছাড়া জামানত ফেরত পাওয়ার যোগ্য কোনো প্রার্থী সরকারি গেজেটে নির্বাচনি ফলাফল প্রকাশের পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে তা গ্রহণ না করলে ওই অর্থ অফেরৎযোগ্য হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা
সংশোধিত বিধিমালায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর জন্য ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে এই বিধিমালার বিধান প্রযোজ্য হবে। ওই বিধিমালার পরিপন্থি কোনো কার্যক্রমে অর্থ ব্যয় করা যাবে না।
চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব পরিচালনার জন্য তপশিলি ব্যাংকে আলাদা হিসাব খোলার বিধানও রাখা হয়েছে। নির্বাচনি ব্যয়ের সব অর্থ ওই হিসাব থেকে ব্যয় করতে হবে। কোনো খাতে ২০ হাজার টাকা বা তার বেশি ব্যয় হলে তা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রার্থীর জামানত পাঁচগুণ বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত পাঁচ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সাধারণ ও সংরক্ষিত নারী সদস্য (মেম্বর) প্রার্থীর জামানত ১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।
একইসঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর ব্যয়সীমা ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে নির্বাচনী ব্যয়সীমা বেড়েছে দ্বিগুণ। নতুন বিধান অনুযায়ী, নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা, ২০২৬-এর সংশোধনীর চূড়ান্ত গেজেটে এসব বিধান যুক্ত করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গেজেটে সই করেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) তা প্রকাশ করে ইসি।
এর আগে গত মাসে ইউপি নির্বাচন বিধিমালার সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্ত করে সেটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠিয়েছিল ইসি। মন্ত্রণালয়ের ভেটিং ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ করার পর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করলো সংস্থাটি।
ইসির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকারের অন্য চার প্রতিষ্ঠান- উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন এবং জেলা পরিষদের আলাদা আলাদা নির্বাচন বিধিমালাগুলোও আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
সংশোধিত ইউপি নির্বাচন বিধিমালায় আরও বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান নির্বাচনের ক্ষেত্রে ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে ৫ হাজার টাকা ট্রেজারি চালান, পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুকূলে জামা দিতে হবে। কোনো প্রার্থীর পক্ষে একাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলেও একাধিক জামানতের প্রয়োজন হবে না।
এতে জামানত ফেরতের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ পেলে তার জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ১৫ শতাংশের কম ভোট পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত করে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
এ ছাড়া জামানত ফেরত পাওয়ার যোগ্য কোনো প্রার্থী সরকারি গেজেটে নির্বাচনি ফলাফল প্রকাশের পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে তা গ্রহণ না করলে ওই অর্থ অফেরৎযোগ্য হিসেবে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।
নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা
সংশোধিত বিধিমালায় চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয়ের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ টাকা এবং সদস্য প্রার্থীর জন্য ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্বাচন-পূর্ব সময়ে নির্বাচনি প্রচারণার ক্ষেত্রে এই বিধিমালার বিধান প্রযোজ্য হবে। ওই বিধিমালার পরিপন্থি কোনো কার্যক্রমে অর্থ ব্যয় করা যাবে না।
চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব পরিচালনার জন্য তপশিলি ব্যাংকে আলাদা হিসাব খোলার বিধানও রাখা হয়েছে। নির্বাচনি ব্যয়ের সব অর্থ ওই হিসাব থেকে ব্যয় করতে হবে। কোনো খাতে ২০ হাজার টাকা বা তার বেশি ব্যয় হলে তা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন