পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার দুপুরে তেতুঁলিয়া উপজেলা হলরুমে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেতুঁলিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন রঞ্জু, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শফিকুল ইসলাম শফি, মো. কারী ইউসুফ আলী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ মিয়া, উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি এম এ জব্বার এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হলো বাংলাদেশের মানুষের প্রাণের স্পন্দন। সে সময় সিপাহী-জনতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে এনে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করেছিলেন এবং দেশকে একটি সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার পথ দেখিয়েছিলেন। পরবর্তীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা করার পর দেশে আবারও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এরপর ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর দেশকে নতুনভাবে সাজিয়ে জনগণের মঙ্গলের জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দেন।
বক্তারা আরও বলেন, পরবর্তীতে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতার মোহে বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা ছাড়াই মৃত্যুর মুখে পতিত করা হয়েছিল।
তাই এই তাৎপর্যপূর্ণ দিবসকে সামনে রেখে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং একটি উন্নতশীল রাষ্ট্র গঠনে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান বক্তারা।

শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
পঞ্চগড়ের তেতুঁলিয়ায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, খেলাধুলা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান জানাতে একটি বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার দুপুরে তেতুঁলিয়া উপজেলা হলরুমে আয়োজিত এই আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেতুঁলিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন রঞ্জু, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শফিকুল ইসলাম শফি, মো. কারী ইউসুফ আলী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ মিয়া, উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি এম এ জব্বার এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হলো বাংলাদেশের মানুষের প্রাণের স্পন্দন। সে সময় সিপাহী-জনতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে এনে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করেছিলেন এবং দেশকে একটি সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার পথ দেখিয়েছিলেন। পরবর্তীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হত্যা করার পর দেশে আবারও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। এরপর ১৯৯১ সালে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর দেশকে নতুনভাবে সাজিয়ে জনগণের মঙ্গলের জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন এবং একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দেন।
বক্তারা আরও বলেন, পরবর্তীতে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতার মোহে বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা ছাড়াই মৃত্যুর মুখে পতিত করা হয়েছিল।
তাই এই তাৎপর্যপূর্ণ দিবসকে সামনে রেখে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং একটি উন্নতশীল রাষ্ট্র গঠনে দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান বক্তারা।

আপনার মতামত লিখুন