ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসনিক পরিধি আরও সুবিন্যস্ত ও কার্যকর করতে বিদ্যমান ২ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডকে বিভক্ত করে নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রস্তাবিত রূপরেখা বাস্তবায়ন হলে উত্তর সিটিতে মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ৫৪টি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৫৬টিতে উন্নীত হবে।
সরকারের প্রজ্ঞাপনের আলোকে নতুন ওয়ার্ড দুটির ভৌগোলিক সীমানা পুনঃনির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রস্তুতের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখা থেকে গত ২০ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, "ডিএনসিসির আওতাধীন বিদ্যমান ২ নম্বর ওয়ার্ডকে বিভক্ত করে আরও একটি নতুন ওয়ার্ড এবং বিদ্যমান ৬ নম্বর ওয়ার্ডকে বিভক্ত করে আরও একটি নতুন ওয়ার্ড গঠনের লক্ষ্যে প্রস্তাব পাওয়া গেছে।"
আইনি প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা দিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, "‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯’-এর ২৭ ও ২৯ ধারা অনুযায়ী নতুন ওয়ার্ড দুটির সীমানা নির্ধারণ করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।"
সীমানা নির্ধারণের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে একটি সহায়তামূলক প্রশাসনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা, ঢাকার জেলা প্রশাসকের মনোনীত প্রতিনিধি এবং ডিএনসিসির অঞ্চল-২-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সহকারী সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসনিক পরিধি আরও সুবিন্যস্ত ও কার্যকর করতে বিদ্যমান ২ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডকে বিভক্ত করে নতুন দুটি ওয়ার্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই প্রস্তাবিত রূপরেখা বাস্তবায়ন হলে উত্তর সিটিতে মোট ওয়ার্ড সংখ্যা ৫৪টি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৫৬টিতে উন্নীত হবে।
সরকারের প্রজ্ঞাপনের আলোকে নতুন ওয়ার্ড দুটির ভৌগোলিক সীমানা পুনঃনির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রস্তুতের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখা থেকে গত ২০ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, "ডিএনসিসির আওতাধীন বিদ্যমান ২ নম্বর ওয়ার্ডকে বিভক্ত করে আরও একটি নতুন ওয়ার্ড এবং বিদ্যমান ৬ নম্বর ওয়ার্ডকে বিভক্ত করে আরও একটি নতুন ওয়ার্ড গঠনের লক্ষ্যে প্রস্তাব পাওয়া গেছে।"
আইনি প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যা দিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, "‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯’-এর ২৭ ও ২৯ ধারা অনুযায়ী নতুন ওয়ার্ড দুটির সীমানা নির্ধারণ করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।"
সীমানা নির্ধারণের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে একটি সহায়তামূলক প্রশাসনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ডিএনসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা, ঢাকার জেলা প্রশাসকের মনোনীত প্রতিনিধি এবং ডিএনসিসির অঞ্চল-২-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে সহকারী সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন