জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ভেজালমুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে সারাদেশে তৎপরতা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আট মাসে সংস্থাটি মোট ৭৪৪টি মোবাইল কোর্ট ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে ২ কোটি ৮৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি ৭ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বিএফএসএ সূত্রে জানা যায়, শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই পরিচালিত ৭৯টি অভিযানে ৫১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে রাজধানীর পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা শহরের রেস্তোরাঁ, বেকারি ও খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে পচা-বাসি খাবার বিক্রি, নিষিদ্ধ রাসায়নিকের ব্যবহার, পায়ে মাড়িয়ে খাবার তৈরি এবং নোংরা পরিবেশের মতো নানা অনিয়ম ধরা পড়ে।
সংস্থার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সদস্য (আইন ও নীতি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে কেবল জরিমানা নয়; বরং নজরদারি, নমুনা পরীক্ষা ও সচেতনতা তৈরিতে কাজ চলছে। জেলা পর্যায়ে অভিযানের পরিধি আরও বাড়াতে ইতোমধ্যে অর্থ বরাদ্দের আবেদন জানানো হয়েছে।
অভিযানের পাশাপাশি এই আট মাসে ১,৩০৭টি খাদ্য প্রতিষ্ঠান তদারকি এবং ১,২১০টি খাদ্য পণ্যের নমুনা পরীক্ষা করেছে বিএফএসএ। এর মধ্যে বোতলজাত পানি, ভোজ্যতেল, গুঁড়া মসলা ও গুঁড়া দুধের মতো নিত্যপণ্য রয়েছে।
আইন অনুযায়ী, অনিরাপদ বা ভেজাল খাদ্য তৈরির অপরাধে সর্বনিম্ন ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৬ মাসের কারাদণ্ড থেকে ৫ বছরের জেলের বিধান রয়েছে। উন্নত বিশ্বে যেমন ভারতের আইনে ভেজালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং চীনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে, বাংলাদেশেও আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে বিএফএসএ।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ভেজালমুক্ত খাবার নিশ্চিত করতে সারাদেশে তৎপরতা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আট মাসে সংস্থাটি মোট ৭৪৪টি মোবাইল কোর্ট ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে ২ কোটি ৮৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায়ের পাশাপাশি ৭ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বিএফএসএ সূত্রে জানা যায়, শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই পরিচালিত ৭৯টি অভিযানে ৫১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে রাজধানীর পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা শহরের রেস্তোরাঁ, বেকারি ও খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে পচা-বাসি খাবার বিক্রি, নিষিদ্ধ রাসায়নিকের ব্যবহার, পায়ে মাড়িয়ে খাবার তৈরি এবং নোংরা পরিবেশের মতো নানা অনিয়ম ধরা পড়ে।
সংস্থার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সদস্য (আইন ও নীতি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে কেবল জরিমানা নয়; বরং নজরদারি, নমুনা পরীক্ষা ও সচেতনতা তৈরিতে কাজ চলছে। জেলা পর্যায়ে অভিযানের পরিধি আরও বাড়াতে ইতোমধ্যে অর্থ বরাদ্দের আবেদন জানানো হয়েছে।
অভিযানের পাশাপাশি এই আট মাসে ১,৩০৭টি খাদ্য প্রতিষ্ঠান তদারকি এবং ১,২১০টি খাদ্য পণ্যের নমুনা পরীক্ষা করেছে বিএফএসএ। এর মধ্যে বোতলজাত পানি, ভোজ্যতেল, গুঁড়া মসলা ও গুঁড়া দুধের মতো নিত্যপণ্য রয়েছে।
আইন অনুযায়ী, অনিরাপদ বা ভেজাল খাদ্য তৈরির অপরাধে সর্বনিম্ন ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং ৬ মাসের কারাদণ্ড থেকে ৫ বছরের জেলের বিধান রয়েছে। উন্নত বিশ্বে যেমন ভারতের আইনে ভেজালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং চীনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে, বাংলাদেশেও আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে বিএফএসএ।

আপনার মতামত লিখুন