শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ১০৯টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে বিশেষ নজরদারির পাশাপাশি নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে শহরের শ্রীমঙ্গলেশ্বরী কালীবাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ৪৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মইন হাসান।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শ্রীমঙ্গল সেক্টরের অধীন শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে ৮৫টি পূজামণ্ডপ। এ ছাড়া ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে আরও ২৪টি পূজামণ্ডপ। এসব মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোট ১২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বিজিবির অধিনায়ক বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর করা হচ্ছে, যাতে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে পূজার আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পারেন।
পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (এনটিএমসি) প্রস্তুত করা ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট বিজিবি সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে দায়িত্ব পালন ও প্রয়োজনীয় পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানান বিজিবির অধিনায়ক।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক এবং অস্ত্র-গোলাবারুদ পাচারসহ বিভিন্ন ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধেও তৎপর রয়েছে বিজিবি। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে।
বিজিবির এই নিরাপত্তা কার্যক্রমের মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং পূজার সার্বিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সমন্বিত উদ্যোগে উৎসবের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর করতে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের (৪৬ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ১০৯টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে বিশেষ নজরদারির পাশাপাশি নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে শহরের শ্রীমঙ্গলেশ্বরী কালীবাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ৪৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মইন হাসান।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শ্রীমঙ্গল সেক্টরের অধীন শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্তের আট কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে ৮৫টি পূজামণ্ডপ। এ ছাড়া ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে আরও ২৪টি পূজামণ্ডপ। এসব মণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোট ১২ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
বিজিবির অধিনায়ক বলেন, পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর করা হচ্ছে, যাতে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে পূজার আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে পারেন।
পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে জাতীয় টেলিযোগাযোগ পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (এনটিএমসি) প্রস্তুত করা ‘শারদীয় সুরক্ষা’ অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট বিজিবি সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে দায়িত্ব পালন ও প্রয়োজনীয় পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানান বিজিবির অধিনায়ক।
দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক এবং অস্ত্র-গোলাবারুদ পাচারসহ বিভিন্ন ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধেও তৎপর রয়েছে বিজিবি। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রাখা হয়েছে।
বিজিবির এই নিরাপত্তা কার্যক্রমের মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং পূজার সার্বিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদ্যাপন কমিটির সমন্বিত উদ্যোগে উৎসবের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন