‘আল্লাহ, তোমার কাছে বিচার দিলাম’—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই ব্যতিক্রমী বক্তব্যের মাধ্যমে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় আসা বর্ষীয়ান রাজনীতিক, সাবেক উপমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই মারা গেছেন।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকায় নিজ বাসায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০১৪ সালে মুন্সিগঞ্জে বিএনপির একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় তার কিছু আবেগঘন ও স্পষ্টভাষী মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ওই বক্তব্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নাম প্রকাশ, চাকরি হারানোর শঙ্কা এবং মোনাজাত ধরে বিচার চাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেছিলেন, ‘আল্লাহ, তোমার কাছে বিচার দিলাম...।’ সেই বক্তব্যের পর থেকে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিতি পান।
দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ রাজনৈতিক জীবনে আব্দুল হাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মোট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পিকার এবং মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক অনুসারী রেখে গেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর মুন্সিগঞ্জে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
১৯৪৯ সালের ৫ জানুয়ারি মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী গ্রামে জন্ম নেওয়া আব্দুল হাই ১৯৭৩ সালে পঞ্চসার ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে জনপ্রতিনিধি জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ১৯৭৯ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তার মৃত্যুতে মুন্সিগঞ্জ জেলাসহ সারা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ অক্টোবর ২০২৬
‘আল্লাহ, তোমার কাছে বিচার দিলাম’—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই ব্যতিক্রমী বক্তব্যের মাধ্যমে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনায় আসা বর্ষীয়ান রাজনীতিক, সাবেক উপমন্ত্রী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই মারা গেছেন।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকায় নিজ বাসায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০১৪ সালে মুন্সিগঞ্জে বিএনপির একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় তার কিছু আবেগঘন ও স্পষ্টভাষী মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ওই বক্তব্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নাম প্রকাশ, চাকরি হারানোর শঙ্কা এবং মোনাজাত ধরে বিচার চাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেছিলেন, ‘আল্লাহ, তোমার কাছে বিচার দিলাম...।’ সেই বক্তব্যের পর থেকে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিতি পান।
দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ রাজনৈতিক জীবনে আব্দুল হাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মোট পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের প্যানেল স্পিকার এবং মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে, এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক অনুসারী রেখে গেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর মুন্সিগঞ্জে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
১৯৪৯ সালের ৫ জানুয়ারি মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী গ্রামে জন্ম নেওয়া আব্দুল হাই ১৯৭৩ সালে পঞ্চসার ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে জনপ্রতিনিধি জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ১৯৭৯ সালে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তার মৃত্যুতে মুন্সিগঞ্জ জেলাসহ সারা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন