যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ভারতে পাচার করার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের ১৮টি সোনার বারসহ মো. আলাউদ্দীন (৫২) নামের এক পেশাদার চোরাকারবারিকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যস্ততম নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কের খাজুরার ‘প্রাইম ব্রিকস্’ নামক ইটভাটা এলাকা থেকে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটক হওয়া আলাউদ্দীন শার্শা উপজেলার হাড়িখালী যদুনাথপুর গ্রামের মৃত গোলাম রসুলের ছেলে।
বুধবার দুপুরে নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরিফ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে জানান, সুনির্দিষ্ট গোপন খবরের ভিত্তিতে গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় মো. আলাউদ্দীনকে আটক করা হয়। তার সঙ্গে থাকা অপর দুজন অজ্ঞাত ব্যক্তি সুকৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে গ্রেফতার আসামির দেহ ও তার হেফাজতে থাকা সামগ্রী তল্লাশি করে মোট ১৮টি সোনার বার এবং একটি সুজুকী ব্রান্ডের মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন আরও জানান, উদ্ধার সোনার এই চালানটির মোট ওজন দুই কেজি ৯০ গ্রাম বা প্রায় ১৮০ ভরি। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী যার আনুমানিক মূল্য প্রায় চার কোটি টাকা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত চক্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক সাংবাদিকদের বলেন, এই ঘটনায় শার্শা থানায় সোনা চোরাচালান ও পাচার আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত পলাতক অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ নাম ও ঠিকানা সংগ্রহসহ তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের জোরালো অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করার কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ভারতে পাচার করার উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যের ১৮টি সোনার বারসহ মো. আলাউদ্দীন (৫২) নামের এক পেশাদার চোরাকারবারিকে আটক করেছে পুলিশ।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যস্ততম নাভারন-সাতক্ষীরা মহাসড়কের খাজুরার ‘প্রাইম ব্রিকস্’ নামক ইটভাটা এলাকা থেকে তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। আটক হওয়া আলাউদ্দীন শার্শা উপজেলার হাড়িখালী যদুনাথপুর গ্রামের মৃত গোলাম রসুলের ছেলে।
বুধবার দুপুরে নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরিফ হোসেন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে জানান, সুনির্দিষ্ট গোপন খবরের ভিত্তিতে গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় মো. আলাউদ্দীনকে আটক করা হয়। তার সঙ্গে থাকা অপর দুজন অজ্ঞাত ব্যক্তি সুকৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পরে গ্রেফতার আসামির দেহ ও তার হেফাজতে থাকা সামগ্রী তল্লাশি করে মোট ১৮টি সোনার বার এবং একটি সুজুকী ব্রান্ডের মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
পুলিশ কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন আরও জানান, উদ্ধার সোনার এই চালানটির মোট ওজন দুই কেজি ৯০ গ্রাম বা প্রায় ১৮০ ভরি। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী যার আনুমানিক মূল্য প্রায় চার কোটি টাকা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত চক্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক সাংবাদিকদের বলেন, এই ঘটনায় শার্শা থানায় সোনা চোরাচালান ও পাচার আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত পলাতক অজ্ঞাতনামা দুই ব্যক্তির পূর্ণাঙ্গ নাম ও ঠিকানা সংগ্রহসহ তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের জোরালো অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতে সোপর্দ করার কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন