সংবাদ

ছোটকাকুর ১৫ বছর পূর্তিতে দুই দিনের উৎসব


বিনোদন প্রতিবেদক
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৮ পিএম

ছোটকাকুর ১৫ বছর পূর্তিতে দুই দিনের উৎসব
ছবি : সংবাদ

শিশু-কিশোরদের প্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র ‘ছোটকাকু’। বইয়ের পাতা পেরিয়ে ১৫ বছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায়ও দর্শকদের আনন্দ দিয়ে আসছে চরিত্রটি। এবার ছোটকাকুকে ঘিরেই আয়োজন করা হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘ছোটকাকু উৎসব ২০২৬’।

উৎসবের আয়োজন নিয়ে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে সংবাদ সম্মেলন ‘সাংবাদিক সমীপে ছোটকাকু উৎসব’। এতে উপস্থিত ছিলেন ছোটকাকুর স্রষ্টা, শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, অভিনেতা, নির্মাতা ও চিত্রশিল্পী আফজাল হোসেন, অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশক তারিক আনাম খানসহ ছোটকাকুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর আলোকি, গুলশান-তেজগাঁও লিংক রোডে অনুষ্ঠিত হবে ‘ছোটকাকু উৎসব ২০২৬’। দুই দিনের আয়োজনে থাকছে মজাদার প্রতিযোগিতা, পুরস্কার, আড্ডা, আলোচনা ও বিনোদনমূলক নানা অনুষ্ঠান। পাশাপাশি উৎসবে ১৪টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হবে।

আয়োজনটি নিয়ে ‘ছোটকাকু উৎসব’-এর অন্যতম আয়োজক সানাউল আরেফিন বলেন, ‘বাচ্চাদের কথা বিবেচনা করে আমরা দুই দিনের পুরো আয়োজনটি রেখেছি। তারা যেন খুব সুন্দর কিছু নিয়ে ঘরে ফিরতে পারে।’ ছোটকাকুর ১৫ বছরের টেলিভিশন যাত্রার কথা তুলে ধরে তারিক আনাম খান বলেন, ‘১৫ বছর ধরে “ছোটকাকু” নাটক হিসেবে প্রচার হচ্ছে, এটা অবশ্যই অনেক দারুণ খবর। দুই দিনব্যাপী “ছোটকাকু উৎসব” নিয়ে যে আয়োজন রাখা হয়েছে, সেখানে সবাই শিশু-কিশোরদের নিয়ে আসুন, তাদের এই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করুন।’

বইয়ের পাতার ছোটকাকুকে পর্দায় প্রাণ দিয়েছেন অভিনেতা আফজাল হোসেন। ১৫ বছর ধরে চরিত্রটির সঙ্গে তার পথচলা। ছোটকাকুর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার গল্প বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ছোটকাকু চরিত্রে আমি ১৫ বছর ধরে অভিনয় করেছি, আর আমি অভিনয় করি চল্লিশ বছর ধরে। ছোটকাকু চরিত্রে যখন অভিনয় শুরু করি, তখন অভিনয় থেকে আমি প্রায় বাইরে চলে গেছি। আমাকে অভিনয় আর তখন আকর্ষণ করছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই ছোটদের সাহিত্য করতে করতে বড় হয়েছি। মনে হয়েছে, আমাদের এই পর্যায়ে এসে ছোটদের জন্য আমরা কিছুই করছি না। সেই দায় থেকেই ১৫ বছর ধরে “ছোটকাকু” করে চলেছি।’

‘ছোটকাকু উৎসব’ প্রসঙ্গে আফজাল হোসেন বলেন, জীবনে আনন্দ ও উৎসব প্রয়োজন। সেই আনন্দ ও উৎসাহ সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতেই এই আয়োজন। তার ভাষায়, ‘আমাদের জীবনে শুধু আছে অনুযোগ, অভিযোগ আর দোষ ধরা। কিন্তু ভালোও যে আছে, সে কথাটাও তো আয়োজন করে বলতে হবে। প্রশংসা করার মতো কাজ যে দেশে হয়, সেটাও তো বলতে হবে। তার জন্যই আমাদের ছোটকাকু উৎসব।’

এ সময় ১৫ বছর ধরে ‘ছোটকাকু’তে অভিনয় করা শিল্পীদের নিয়ে একটি গান তৈরির কথাও জানান আফজাল হোসেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অতিথিদের সামনে গানটি প্রদর্শন করা হয়।

‘ছোটকাকু উৎসব’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ছোটকাকুর প্রশংসা করেন চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ। ছোটকাকুর স্রষ্টা ফরিদুর রেজা সাগর এবং পর্দায় ছোটকাকুকে রূপ দেওয়া আফজাল হোসেনকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ছোটকাকুর গল্পে এবার কৃষিক্ষেত্রের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ও তুলে ধরা যেতে পারে।

শাইখ সিরাজ বলেন, ‘তোমরা ছোটকাকুর গোয়েন্দা কাহিনীতে পর্দায় অনেক কিছু তুলে ধরেছো, কৃষিখাতে যে কত ধরনের দুর্নীতি আছে—সেই গোয়েন্দাটা এবার একটু দেখাও। সার ছিটিয়ে ফসল মেরে ফেলে, নিজেদের ভেতরে দ্বন্দ্বের কারণে কলা গাছ কেটে ফেলে। এগুলোর ভেতরে তো গোয়েন্দা কাহিনীর গল্প আসতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ছোটকাকুর আবেদন এখন শুধু শহরের শিশুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, প্রান্তিক অঞ্চলেও পৌঁছে গেছে। কৃষকের ঈদ আনন্দ অনুষ্ঠানে ছোটকাকুর জনপ্রিয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিশুদের মধ্যে ছোটকাকুর স্কুলব্যাগ নিয়েও ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। তার মতে, তৃণমূল পর্যায়েও ছোটকাকু নাটকের আবেদন তৈরি হয়েছে। সবশেষে কথা বলেন ছোটকাকুর স্রষ্টা ফরিদুর রেজা সাগর। নিজের জীবনের দুই ব্যক্তির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আমার সত্যিই একজন ছোটকাকু ছিলেন ড. ফজলুল আলম। আর ছোটকাকু মূলত যার প্রেরণায় লেখা হয়েছে, তিনি আমীরুল ইসলাম। সম্প্রতি তিনি প্রয়াত হয়েছেন। দুজনেই আমাদের ছেড়ে গেছেন, কিন্তু ছোটকাকু চরিত্রটা রয়ে গেছে।’

ছোটকাকু সৃষ্টির শুরুর সময়ের কথা তুলে ধরে ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, ‘ছোটকাকু প্রথম লেখা শুরু হয় ২০০৪ সালে। তখনই আমরা “কক্সবাজারে কাকাতুয়া” লেখার মধ্য দিয়ে পরিকল্পনা করেছিলাম বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় আমরা ছোটকাকুকে নিয়ে যাবো, তাকে কখনোই আমরা বিদেশে নেবো না।’

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ছোটকাকুর ৪৮টি বই প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫টি বইয়ের গল্পে বাংলাদেশের ৪৫টি জেলা উঠে এসেছে। বাকি তিনটি বইয়ে জেলার বাইরের গল্প ছিল। বইয়ের পাতা থেকে ছোটকাকুকে সাধারণ মানুষের কাছে, বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে আফজাল হোসেনের অবদানের কথাও স্মরণ করেন তিনি। এ সময় ছোটকাকুকে পর্দায় রূপ দেওয়ার জন্য আফজাল হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ছোটকাকুর স্রষ্টা।

গল্প, রহস্য ও বিনোদনের পাশাপাশি সাহসিকতা, আত্মবিশ্বাস, পর্যবেক্ষণশক্তি এবং অন্যকে সাহায্য করার ইতিবাচক বার্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিশু-কিশোরদের সঙ্গে রয়েছে ‘ছোটকাকু’। এবার সেই চরিত্রকে ঘিরেই বসছে দুই দিনের উৎসব। যেখানে শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি অংশ নিতে পারবে পুরো পরিবার। সবাইকে ‘ছোটকাকু উৎসব’-এ অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজক ও অতিথিরা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬


ছোটকাকুর ১৫ বছর পূর্তিতে দুই দিনের উৎসব

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

শিশু-কিশোরদের প্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র ‘ছোটকাকু’। বইয়ের পাতা পেরিয়ে ১৫ বছর ধরে টেলিভিশনের পর্দায়ও দর্শকদের আনন্দ দিয়ে আসছে চরিত্রটি। এবার ছোটকাকুকে ঘিরেই আয়োজন করা হয়েছে দুই দিনব্যাপী ‘ছোটকাকু উৎসব ২০২৬’।

উৎসবের আয়োজন নিয়ে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে সংবাদ সম্মেলন ‘সাংবাদিক সমীপে ছোটকাকু উৎসব’। এতে উপস্থিত ছিলেন ছোটকাকুর স্রষ্টা, শিশুসাহিত্যিক ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, অভিনেতা, নির্মাতা ও চিত্রশিল্পী আফজাল হোসেন, অভিনেতা ও নাট্যনির্দেশক তারিক আনাম খানসহ ছোটকাকুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর আলোকি, গুলশান-তেজগাঁও লিংক রোডে অনুষ্ঠিত হবে ‘ছোটকাকু উৎসব ২০২৬’। দুই দিনের আয়োজনে থাকছে মজাদার প্রতিযোগিতা, পুরস্কার, আড্ডা, আলোচনা ও বিনোদনমূলক নানা অনুষ্ঠান। পাশাপাশি উৎসবে ১৪টি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হবে।

আয়োজনটি নিয়ে ‘ছোটকাকু উৎসব’-এর অন্যতম আয়োজক সানাউল আরেফিন বলেন, ‘বাচ্চাদের কথা বিবেচনা করে আমরা দুই দিনের পুরো আয়োজনটি রেখেছি। তারা যেন খুব সুন্দর কিছু নিয়ে ঘরে ফিরতে পারে।’ ছোটকাকুর ১৫ বছরের টেলিভিশন যাত্রার কথা তুলে ধরে তারিক আনাম খান বলেন, ‘১৫ বছর ধরে “ছোটকাকু” নাটক হিসেবে প্রচার হচ্ছে, এটা অবশ্যই অনেক দারুণ খবর। দুই দিনব্যাপী “ছোটকাকু উৎসব” নিয়ে যে আয়োজন রাখা হয়েছে, সেখানে সবাই শিশু-কিশোরদের নিয়ে আসুন, তাদের এই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করুন।’

বইয়ের পাতার ছোটকাকুকে পর্দায় প্রাণ দিয়েছেন অভিনেতা আফজাল হোসেন। ১৫ বছর ধরে চরিত্রটির সঙ্গে তার পথচলা। ছোটকাকুর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার গল্প বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ছোটকাকু চরিত্রে আমি ১৫ বছর ধরে অভিনয় করেছি, আর আমি অভিনয় করি চল্লিশ বছর ধরে। ছোটকাকু চরিত্রে যখন অভিনয় শুরু করি, তখন অভিনয় থেকে আমি প্রায় বাইরে চলে গেছি। আমাকে অভিনয় আর তখন আকর্ষণ করছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই ছোটদের সাহিত্য করতে করতে বড় হয়েছি। মনে হয়েছে, আমাদের এই পর্যায়ে এসে ছোটদের জন্য আমরা কিছুই করছি না। সেই দায় থেকেই ১৫ বছর ধরে “ছোটকাকু” করে চলেছি।’

‘ছোটকাকু উৎসব’ প্রসঙ্গে আফজাল হোসেন বলেন, জীবনে আনন্দ ও উৎসব প্রয়োজন। সেই আনন্দ ও উৎসাহ সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতেই এই আয়োজন। তার ভাষায়, ‘আমাদের জীবনে শুধু আছে অনুযোগ, অভিযোগ আর দোষ ধরা। কিন্তু ভালোও যে আছে, সে কথাটাও তো আয়োজন করে বলতে হবে। প্রশংসা করার মতো কাজ যে দেশে হয়, সেটাও তো বলতে হবে। তার জন্যই আমাদের ছোটকাকু উৎসব।’

এ সময় ১৫ বছর ধরে ‘ছোটকাকু’তে অভিনয় করা শিল্পীদের নিয়ে একটি গান তৈরির কথাও জানান আফজাল হোসেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অতিথিদের সামনে গানটি প্রদর্শন করা হয়।

‘ছোটকাকু উৎসব’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ছোটকাকুর প্রশংসা করেন চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ। ছোটকাকুর স্রষ্টা ফরিদুর রেজা সাগর এবং পর্দায় ছোটকাকুকে রূপ দেওয়া আফজাল হোসেনকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ছোটকাকুর গল্পে এবার কৃষিক্ষেত্রের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ও তুলে ধরা যেতে পারে।

শাইখ সিরাজ বলেন, ‘তোমরা ছোটকাকুর গোয়েন্দা কাহিনীতে পর্দায় অনেক কিছু তুলে ধরেছো, কৃষিখাতে যে কত ধরনের দুর্নীতি আছে—সেই গোয়েন্দাটা এবার একটু দেখাও। সার ছিটিয়ে ফসল মেরে ফেলে, নিজেদের ভেতরে দ্বন্দ্বের কারণে কলা গাছ কেটে ফেলে। এগুলোর ভেতরে তো গোয়েন্দা কাহিনীর গল্প আসতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ছোটকাকুর আবেদন এখন শুধু শহরের শিশুদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, প্রান্তিক অঞ্চলেও পৌঁছে গেছে। কৃষকের ঈদ আনন্দ অনুষ্ঠানে ছোটকাকুর জনপ্রিয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিশুদের মধ্যে ছোটকাকুর স্কুলব্যাগ নিয়েও ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। তার মতে, তৃণমূল পর্যায়েও ছোটকাকু নাটকের আবেদন তৈরি হয়েছে। সবশেষে কথা বলেন ছোটকাকুর স্রষ্টা ফরিদুর রেজা সাগর। নিজের জীবনের দুই ব্যক্তির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আমার সত্যিই একজন ছোটকাকু ছিলেন ড. ফজলুল আলম। আর ছোটকাকু মূলত যার প্রেরণায় লেখা হয়েছে, তিনি আমীরুল ইসলাম। সম্প্রতি তিনি প্রয়াত হয়েছেন। দুজনেই আমাদের ছেড়ে গেছেন, কিন্তু ছোটকাকু চরিত্রটা রয়ে গেছে।’

ছোটকাকু সৃষ্টির শুরুর সময়ের কথা তুলে ধরে ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, ‘ছোটকাকু প্রথম লেখা শুরু হয় ২০০৪ সালে। তখনই আমরা “কক্সবাজারে কাকাতুয়া” লেখার মধ্য দিয়ে পরিকল্পনা করেছিলাম বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় আমরা ছোটকাকুকে নিয়ে যাবো, তাকে কখনোই আমরা বিদেশে নেবো না।’

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত ছোটকাকুর ৪৮টি বই প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪৫টি বইয়ের গল্পে বাংলাদেশের ৪৫টি জেলা উঠে এসেছে। বাকি তিনটি বইয়ে জেলার বাইরের গল্প ছিল। বইয়ের পাতা থেকে ছোটকাকুকে সাধারণ মানুষের কাছে, বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রে আফজাল হোসেনের অবদানের কথাও স্মরণ করেন তিনি। এ সময় ছোটকাকুকে পর্দায় রূপ দেওয়ার জন্য আফজাল হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ছোটকাকুর স্রষ্টা।

গল্প, রহস্য ও বিনোদনের পাশাপাশি সাহসিকতা, আত্মবিশ্বাস, পর্যবেক্ষণশক্তি এবং অন্যকে সাহায্য করার ইতিবাচক বার্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিশু-কিশোরদের সঙ্গে রয়েছে ‘ছোটকাকু’। এবার সেই চরিত্রকে ঘিরেই বসছে দুই দিনের উৎসব। যেখানে শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি অংশ নিতে পারবে পুরো পরিবার। সবাইকে ‘ছোটকাকু উৎসব’-এ অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজক ও অতিথিরা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত