সংবাদ

সীমান্তে বিজিবির কঠোর প্রতিরোধে ব্যর্থ পুশইন


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪০ পিএম

সীমান্তে বিজিবির কঠোর প্রতিরোধে ব্যর্থ পুশইন

  • তিন দিনে ৩০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা
  • মানসিক ভারসাম্যহীন এক ভারতীয়কেও পুশইনের জঘন্য অপচেষ্টা
  • সীমান্তে আধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে দিনরাত বিজিবির কড়া নজরদারি

মৌলভীবাজারের জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৩০ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের একটি বড় ধরনের অপচেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত তিন দিন ধরে ওই অঞ্চলের অত্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি ও ঘন বনাঞ্চল সংলগ্ন সীমান্তে পর পর এসব পুশ-ইনের ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবির সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে রবিবার (২৫ অক্টোবর) পর্যন্ত টানা তিন দিন বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের (৫২ বিজিবি) সদস্যরা দ্রুত পদক্ষেপ, সীমান্তে নিবিড় নজরদারি এবং স্থানীয় সচেতন অধিবাসীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় অনুপ্রবেশের এসব প্রচেষ্টা পুরোপুরি ভন্ডুল করে দিতে সক্ষম হন।

বিজিবি আরও জানায়, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধভাবে পুশ-ইনের চক্রান্তের খবর পাওয়ার সাথে সাথেই দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাগুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা ও নজরদারি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এমনকি এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভারতীয় একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকেও জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালায় ওপাশের সীমান্তরক্ষীরা, যা বিজিবির কঠোর অবস্থানে ব্যর্থ হয়ে যায়।

সীমান্তের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি ও সফলতা সম্পর্কে ৫২ বিজিবির ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান সরাসরি বক্তব্য প্রদান করেছেন। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, "সীমান্তে যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। গত তিনদিনে প্রায় ৩০ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা আমরা প্রতিহত করেছি।"

সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কৌশল ও বিজিবির সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক আতাউর রহমান আরও বলেন, "ড্রোন ক্যামেরা, গোয়েন্দা তথ্য ও আধুনিক নজরদারির মাধ্যমে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি দিন-রাত টহল জোরদার করা হয়েছে।"

দেশের প্রতি বিজিবির অটল অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করে এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দৃঢ়তার সাথে জানান, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা, সীমান্তের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত রাখা এবং সর্বোপরি দেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে ৫২ বিজিবি সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়দের সাথে নিয়ে বিজিবির টহল ও সতর্কাবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬


সীমান্তে বিজিবির কঠোর প্রতিরোধে ব্যর্থ পুশইন

প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

  • তিন দিনে ৩০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা
  • মানসিক ভারসাম্যহীন এক ভারতীয়কেও পুশইনের জঘন্য অপচেষ্টা
  • সীমান্তে আধুনিক ড্রোনের মাধ্যমে দিনরাত বিজিবির কড়া নজরদারি

মৌলভীবাজারের জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ৩০ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের একটি বড় ধরনের অপচেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। গত তিন দিন ধরে ওই অঞ্চলের অত্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি ও ঘন বনাঞ্চল সংলগ্ন সীমান্তে পর পর এসব পুশ-ইনের ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবির সংশ্লিষ্ট সূত্র।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে রবিবার (২৫ অক্টোবর) পর্যন্ত টানা তিন দিন বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের (৫২ বিজিবি) সদস্যরা দ্রুত পদক্ষেপ, সীমান্তে নিবিড় নজরদারি এবং স্থানীয় সচেতন অধিবাসীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় অনুপ্রবেশের এসব প্রচেষ্টা পুরোপুরি ভন্ডুল করে দিতে সক্ষম হন।

বিজিবি আরও জানায়, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অবৈধভাবে পুশ-ইনের চক্রান্তের খবর পাওয়ার সাথে সাথেই দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাগুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা ও নজরদারি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এমনকি এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভারতীয় একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকেও জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালায় ওপাশের সীমান্তরক্ষীরা, যা বিজিবির কঠোর অবস্থানে ব্যর্থ হয়ে যায়।

সীমান্তের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি ও সফলতা সম্পর্কে ৫২ বিজিবির ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান সরাসরি বক্তব্য প্রদান করেছেন। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, "সীমান্তে যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। গত তিনদিনে প্রায় ৩০ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা আমরা প্রতিহত করেছি।"

সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কৌশল ও বিজিবির সার্বিক প্রস্তুতি সম্পর্কে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক আতাউর রহমান আরও বলেন, "ড্রোন ক্যামেরা, গোয়েন্দা তথ্য ও আধুনিক নজরদারির মাধ্যমে সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি দিন-রাত টহল জোরদার করা হয়েছে।"

দেশের প্রতি বিজিবির অটল অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করে এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দৃঢ়তার সাথে জানান, জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা, সীমান্তের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত রাখা এবং সর্বোপরি দেশের স্বার্থ সমুন্নত রাখতে ৫২ বিজিবি সর্বদা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও প্রস্তুত রয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়দের সাথে নিয়ে বিজিবির টহল ও সতর্কাবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত