জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত তিন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু এবং ফারজানা রুপার বিষয়ে আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ প্রদান করেন।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গণঅভ্যুত্থানকালীন সময়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিতর্কিত ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ এনে তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় আগে গত ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে ট্রাইব্যুনালে স্বশরীরে হাজির করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে ২৪ আগস্ট তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে বিচারক শুনানি শেষে তাদের উক্ত মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন।
আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, অভিযুক্তদের মধ্যে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু ইতিপূর্বে শাপলা চত্বর-সংক্রান্ত বহুল আলোচিত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
অন্যদিকে, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক সাংবাদিক শ্যামল দত্ত জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত অন্য একটি মামলায় নিম্ন আদালতের দেওয়া আদেশে পূর্বে থেকেই কারাগারে আটক রয়েছেন। ট্রাইব্যুনালের নতুন এই আদেশের ফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের মাধ্যমে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত তিন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু এবং ফারজানা রুপার বিষয়ে আগামী ৫ জানুয়ারির মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই গুরুত্বপূর্ণ আদেশ প্রদান করেন।
মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গণঅভ্যুত্থানকালীন সময়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বিতর্কিত ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ এনে তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় আগে গত ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে ট্রাইব্যুনালে স্বশরীরে হাজির করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে ২৪ আগস্ট তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে বিচারক শুনানি শেষে তাদের উক্ত মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ প্রদান করেন।
আদালত ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, অভিযুক্তদের মধ্যে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু ইতিপূর্বে শাপলা চত্বর-সংক্রান্ত বহুল আলোচিত হত্যা মামলায় ট্রাইব্যুনালের নির্দেশনায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
অন্যদিকে, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক সাংবাদিক শ্যামল দত্ত জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত অন্য একটি মামলায় নিম্ন আদালতের দেওয়া আদেশে পূর্বে থেকেই কারাগারে আটক রয়েছেন। ট্রাইব্যুনালের নতুন এই আদেশের ফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের মাধ্যমে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন