২০১০ সালে চট্টগ্রামের রাউজানে সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে গুম করে হত্যার অভিযোগের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী ও এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আগামী ১ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাকে প্রতিবেদন দাখিলের স্পষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। রোবাবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।
মামলার নথি ও এজাহারের তথ্যানুযায়ী, ২০১০ সালে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু জাফরকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে নির্মমভাবে গুমের পর হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। উক্ত ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফজলে করিম চৌধুরী ও জিয়াউল আহসানের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম।
আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এর আগে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের দুজনকেই এ মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শুনানি শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানোর পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে একদিন করে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদেরও অনুমতি দেন।
রাষ্ট্রপক্ষ ও প্রসিকিউশন আশা করছে, আগামী ১ জানুয়ারির মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার মাধ্যমে বহুল আলোচিত এই গুম ও হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত বিচার নিশ্চিত হবে।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
২০১০ সালে চট্টগ্রামের রাউজানে সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে গুম করে হত্যার অভিযোগের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী ও এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আগামী ১ জানুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাকে প্রতিবেদন দাখিলের স্পষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। রোবাবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।
মামলার নথি ও এজাহারের তথ্যানুযায়ী, ২০১০ সালে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু জাফরকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তাকে নির্মমভাবে গুমের পর হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। উক্ত ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফজলে করিম চৌধুরী ও জিয়াউল আহসানের সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম।
আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এর আগে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের দুজনকেই এ মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শুনানি শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানোর পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে একদিন করে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদেরও অনুমতি দেন।
রাষ্ট্রপক্ষ ও প্রসিকিউশন আশা করছে, আগামী ১ জানুয়ারির মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার মাধ্যমে বহুল আলোচিত এই গুম ও হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটিত হবে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত বিচার নিশ্চিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন