সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা শেষ হতেই নরসিংদীর পলাশে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য লক্ষ্মীপূজা। ২৫ অক্টোবর থেকে উপজেলার ৭৩টি মণ্ডপে এই পূজার আয়োজন করা হয়েছে। তবে এবারও দর্শনার্থীদের মূল আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে পাইকসা রাধাকৃষ্ণ মন্দির, যেখানে ২০ ফুট উঁচু ব্যতিক্রমী প্রতিমায় সাজানো হয়েছে পূজামণ্ডপ।
পাইকসা রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে প্রতি বছরই ব্যতিক্রমী সব বিগ্রহ নির্মাণ করে অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ গড়ে তোলা হয়। এবার সেখানে মহালক্ষ্মী অষ্টাদশভুজা (উচ্চতা ২০ ফুট), ভগবান নারায়ণ অষ্টভুজা (উচ্চতা ২১ ফুট), গণেশ ঠাকুরের পঞ্চমস্তক ও অষ্টভুজা (উচ্চতা ১০ ফুট) এবং কার্তিক ঠাকুরের ষড়মস্তক ও অষ্টভুজা (উচ্চতা ১১ ফুট) বিগ্রহ স্থাপন করা হয়েছে।
তবে পূজামণ্ডপের মূল আকর্ষণ হলো ৭ ফুট উচ্চতার নবমস্তক ও ১৮টি হাতবিশিষ্ট ভগবান নরসিংহদেবের বিগ্রহ। মণ্ডপে প্রবেশের পরই বাঁ পাশে দর্শনার্থীদের চোখ আটকে যাচ্ছে দর্শনীয় এই দেবমূর্তিতে। শাস্ত্রসম্মত ও নজরকাড়া এসব প্রতিমা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আগামী শুক্রবার প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে এই আয়োজন।
পাইকসা রাধাকৃষ্ণ মন্দির পূজা কমিটির সভাপতি সৌরভ ভৌমিক বলেন, 'আমাদের মণ্ডপে ভগবান নারায়ণ, মহালক্ষ্মী, কার্তিক, গণেশ ও নরসিংহদেবের যেসব বিগ্রহ তৈরি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ শাস্ত্রসম্মত। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, স্কন্দ পুরাণ ও শিব পুরাণসহ বিভিন্ন শাস্ত্রে দেব-দেবীদের এসব রূপের বর্ণনা রয়েছে। আমাদের দাবি ও বিশ্বাস, পাইকসা রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের এবারের লক্ষ্মীপূজাই দেশের সর্ববৃহৎ আয়োজন।'
জমকালো আলোকসজ্জা ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসব ঘিরে পাইকসা এলাকায় বইছে আনন্দের আমেজ।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা শেষ হতেই নরসিংদীর পলাশে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য লক্ষ্মীপূজা। ২৫ অক্টোবর থেকে উপজেলার ৭৩টি মণ্ডপে এই পূজার আয়োজন করা হয়েছে। তবে এবারও দর্শনার্থীদের মূল আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে পাইকসা রাধাকৃষ্ণ মন্দির, যেখানে ২০ ফুট উঁচু ব্যতিক্রমী প্রতিমায় সাজানো হয়েছে পূজামণ্ডপ।
পাইকসা রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে প্রতি বছরই ব্যতিক্রমী সব বিগ্রহ নির্মাণ করে অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ গড়ে তোলা হয়। এবার সেখানে মহালক্ষ্মী অষ্টাদশভুজা (উচ্চতা ২০ ফুট), ভগবান নারায়ণ অষ্টভুজা (উচ্চতা ২১ ফুট), গণেশ ঠাকুরের পঞ্চমস্তক ও অষ্টভুজা (উচ্চতা ১০ ফুট) এবং কার্তিক ঠাকুরের ষড়মস্তক ও অষ্টভুজা (উচ্চতা ১১ ফুট) বিগ্রহ স্থাপন করা হয়েছে।
তবে পূজামণ্ডপের মূল আকর্ষণ হলো ৭ ফুট উচ্চতার নবমস্তক ও ১৮টি হাতবিশিষ্ট ভগবান নরসিংহদেবের বিগ্রহ। মণ্ডপে প্রবেশের পরই বাঁ পাশে দর্শনার্থীদের চোখ আটকে যাচ্ছে দর্শনীয় এই দেবমূর্তিতে। শাস্ত্রসম্মত ও নজরকাড়া এসব প্রতিমা দেখতে দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। আগামী শুক্রবার প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে এই আয়োজন।
পাইকসা রাধাকৃষ্ণ মন্দির পূজা কমিটির সভাপতি সৌরভ ভৌমিক বলেন, 'আমাদের মণ্ডপে ভগবান নারায়ণ, মহালক্ষ্মী, কার্তিক, গণেশ ও নরসিংহদেবের যেসব বিগ্রহ তৈরি করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ শাস্ত্রসম্মত। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ, স্কন্দ পুরাণ ও শিব পুরাণসহ বিভিন্ন শাস্ত্রে দেব-দেবীদের এসব রূপের বর্ণনা রয়েছে। আমাদের দাবি ও বিশ্বাস, পাইকসা রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের এবারের লক্ষ্মীপূজাই দেশের সর্ববৃহৎ আয়োজন।'
জমকালো আলোকসজ্জা ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসব ঘিরে পাইকসা এলাকায় বইছে আনন্দের আমেজ।

আপনার মতামত লিখুন