বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীর রক্ষা ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের সাইট থেকে সেনাবাহিনীর গাড়ির ব্যাটারি চুরির অভিযোগে দুজনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে নগরীর লঞ্চঘাট থেকে দপদপিয়া সেতু পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই প্রকল্পের কাজ চলছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে কাজটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে প্রকল্পের সাইট থেকে সেনাবাহিনীর গাড়ির ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটে। ওই চুরির অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার বেলা ১১টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি মাইক্রোবাসে করে নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্ক এলাকা থেকে দুজনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা পার্ক বস্তি এলাকার রবিউল নামের এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার কথা সামনে এসেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা ও আটক ব্যক্তিদের পরিবারের দাবি, প্রকৃত চোরদের না ধরে এলাকা থেকে নিরীহ দুজনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বরিশাল বেড়িবাঁধ সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর এক সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সংবাদটি যেন প্রকাশ করা না হয়; বিষয়টি তারা নিজেদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করছেন। এই ঘটনার জেরে ওই এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীর রক্ষা ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের সাইট থেকে সেনাবাহিনীর গাড়ির ব্যাটারি চুরির অভিযোগে দুজনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে নগরীর লঞ্চঘাট থেকে দপদপিয়া সেতু পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এই প্রকল্পের কাজ চলছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে কাজটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে প্রকল্পের সাইট থেকে সেনাবাহিনীর গাড়ির ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটে। ওই চুরির অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার বেলা ১১টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি মাইক্রোবাসে করে নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্ক এলাকা থেকে দুজনকে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা পার্ক বস্তি এলাকার রবিউল নামের এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার কথা সামনে এসেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দারা ও আটক ব্যক্তিদের পরিবারের দাবি, প্রকৃত চোরদের না ধরে এলাকা থেকে নিরীহ দুজনকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের দ্রুত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে বরিশাল বেড়িবাঁধ সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর এক সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সংবাদটি যেন প্রকাশ করা না হয়; বিষয়টি তারা নিজেদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করছেন। এই ঘটনার জেরে ওই এলাকায় সাময়িক উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন