সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

আজ পহেলা বৈশাখ


রোজিনা রোজী
রোজিনা রোজী
প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০০ এএম

আজ পহেলা বৈশাখ

‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’—কবিগুরুর এই কালজয়ী আহ্বানে নতুন সূর্যোদয়কে বরণ করে নিয়েছে বাঙালি। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ। জীর্ণ পুরাতন আর ক্লান্তি-গ্লানি পেছনে ফেলে নতুন আশা আর স্বপ্নে শুরু হলো বঙ্গাব্দ ১৪৩৩।

ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই রমনা বটমূলে কয়েকশ কণ্ঠে বেজে ওঠে বর্ষবরণের গান। লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত আবালবৃদ্ধবনিতার পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজধানীর রাজপথ থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল।

পহেলা বৈশাখ বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য প্রতীক। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই আজ উৎসবে শামিল। হালখাতার ঐতিহ্য থেকে শুরু করে পান্তা-ইলিশ, লোকজ মেলা আর গ্রামীণ খেলাধুলায় রঙিন হয়ে উঠেছে চারপাশ। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন উৎসবের আনন্দ ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামেও ছড়িয়ে পড়েছে, তবে প্রাণের টান রয়ে গেছে সেই শিকড়েই।

বাংলা নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস বেশ প্রাচীন। মোগল সম্রাট আকবরের সময় থেকে মূলত ‘ফসলি সন’ হিসেবে এর প্রচলন শুরু হয়। তবে আধুনিককালে বাঙালির এই প্রধান উৎসবটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ১৯৬৭ সালে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

আজকের দিনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হওয়া ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। ১৯৮৯ সাল থেকে শুরু হওয়া এই বর্ণাঢ্য মিছিলটি এখন ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত ‘মানবতার অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’। বাদ্যি-বাজনা আর লোকজ মোটিফের মাধ্যমে প্রতিবছরই এই শোভাযাত্রা থেকে দেওয়া হয় শান্তি ও কল্যাণের বার্তা।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬


আজ পহেলা বৈশাখ

প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’—কবিগুরুর এই কালজয়ী আহ্বানে নতুন সূর্যোদয়কে বরণ করে নিয়েছে বাঙালি। আজ মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ। জীর্ণ পুরাতন আর ক্লান্তি-গ্লানি পেছনে ফেলে নতুন আশা আর স্বপ্নে শুরু হলো বঙ্গাব্দ ১৪৩৩।

ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই রমনা বটমূলে কয়েকশ কণ্ঠে বেজে ওঠে বর্ষবরণের গান। লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত আবালবৃদ্ধবনিতার পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজধানীর রাজপথ থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল।

পহেলা বৈশাখ বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য প্রতীক। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই আজ উৎসবে শামিল। হালখাতার ঐতিহ্য থেকে শুরু করে পান্তা-ইলিশ, লোকজ মেলা আর গ্রামীণ খেলাধুলায় রঙিন হয়ে উঠেছে চারপাশ। আধুনিকতার ছোঁয়ায় এখন উৎসবের আনন্দ ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামেও ছড়িয়ে পড়েছে, তবে প্রাণের টান রয়ে গেছে সেই শিকড়েই।

বাংলা নববর্ষ উদযাপনের ইতিহাস বেশ প্রাচীন। মোগল সম্রাট আকবরের সময় থেকে মূলত ‘ফসলি সন’ হিসেবে এর প্রচলন শুরু হয়। তবে আধুনিককালে বাঙালির এই প্রধান উৎসবটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ১৯৬৭ সালে রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

আজকের দিনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হওয়া ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’। ১৯৮৯ সাল থেকে শুরু হওয়া এই বর্ণাঢ্য মিছিলটি এখন ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত ‘মানবতার অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য’। বাদ্যি-বাজনা আর লোকজ মোটিফের মাধ্যমে প্রতিবছরই এই শোভাযাত্রা থেকে দেওয়া হয় শান্তি ও কল্যাণের বার্তা।

 


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত