রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে একাধিক নবজাতকের মৃত্যু ও অসুস্থতার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
পাশাপাশি দেশের সব হাসপাতালের মা ও নবজাতক ওয়ার্ডে জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান সংশ্লিষ্টদের কাছে এই নোটিশ পাঠান।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) এবং আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পরিচালককে নোটিশের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।
আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, সম্প্রতি আদ্-দ্বীন হাসপাতালের মাতৃত্ব ও নবজাতক ওয়ার্ডে গভীর রাতে সদ্য জন্ম নেওয়া একাধিক নবজাতক হঠাৎ একসঙ্গে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে অবিরাম কান্না, বমি, শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং দ্রুত শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একইসঙ্গে কয়েকজন প্রসূতি মাও অসুস্থ হয়ে পড়েন।
এমন সংকটময় পরিস্থিতিতেও হাসপাতালে পর্যাপ্ত জরুরি চিকিৎসা সাড়া, সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ এবং তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে নোটিশে।
সেখানে আরও বলা হয়, “দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসাকর্মীদের উপস্থিতি ও তৎপরতা পর্যাপ্ত ছিল না। সংকটাপন্ন নবজাতকদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসা বা উপযুক্ত চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরেও বিলম্ব ঘটে। ফলে একের পর এক নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে, যা সমগ্র জাতিকে ব্যথিত করেছে।”
এই ঘটনা দেশের হাসপাতালগুলোর মাতৃত্ব ও নবজাতক ওয়ার্ডের নিরাপত্তা, জরুরি চিকিৎসাসেবা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার ‘গুরুতর দুর্বলতাকে’ সামনে এনেছে বলে মনে করেন এই আইনজীবী।
নোটিশে চারটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।।সেগুলো হল-
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত নবজাতকদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ও কার্যকর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের মাতৃত্ব ও নবজাতক ওয়ার্ডে জরুরি চিকিৎসা সাড়া, রোগীর নিরাপত্তা এবং সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা ও প্রটোকল প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রতিটি হাসপাতালের নিরাপত্তা, সেবার মান এবং সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির জন্য কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা বা তদারকি কমিটি গঠন করতে হবে।

শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬
রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে একাধিক নবজাতকের মৃত্যু ও অসুস্থতার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
পাশাপাশি দেশের সব হাসপাতালের মা ও নবজাতক ওয়ার্ডে জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৯ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান সংশ্লিষ্টদের কাছে এই নোটিশ পাঠান।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) এবং আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পরিচালককে নোটিশের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।
আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, সম্প্রতি আদ্-দ্বীন হাসপাতালের মাতৃত্ব ও নবজাতক ওয়ার্ডে গভীর রাতে সদ্য জন্ম নেওয়া একাধিক নবজাতক হঠাৎ একসঙ্গে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে অবিরাম কান্না, বমি, শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং দ্রুত শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। একইসঙ্গে কয়েকজন প্রসূতি মাও অসুস্থ হয়ে পড়েন।
এমন সংকটময় পরিস্থিতিতেও হাসপাতালে পর্যাপ্ত জরুরি চিকিৎসা সাড়া, সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ এবং তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা হয়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে নোটিশে।
সেখানে আরও বলা হয়, “দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসাকর্মীদের উপস্থিতি ও তৎপরতা পর্যাপ্ত ছিল না। সংকটাপন্ন নবজাতকদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসা বা উপযুক্ত চিকিৎসা কেন্দ্রে স্থানান্তরেও বিলম্ব ঘটে। ফলে একের পর এক নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে, যা সমগ্র জাতিকে ব্যথিত করেছে।”
এই ঘটনা দেশের হাসপাতালগুলোর মাতৃত্ব ও নবজাতক ওয়ার্ডের নিরাপত্তা, জরুরি চিকিৎসাসেবা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনার ‘গুরুতর দুর্বলতাকে’ সামনে এনেছে বলে মনে করেন এই আইনজীবী।
নোটিশে চারটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।।সেগুলো হল-
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ও ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত নবজাতকদের পরিবারকে পর্যাপ্ত ও কার্যকর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের মাতৃত্ব ও নবজাতক ওয়ার্ডে জরুরি চিকিৎসা সাড়া, রোগীর নিরাপত্তা এবং সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা ও প্রটোকল প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রতিটি হাসপাতালের নিরাপত্তা, সেবার মান এবং সার্বিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম নিয়মিত তদারকির জন্য কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা বা তদারকি কমিটি গঠন করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন