রাজধানীর অনেক এলাকায় এখনও পুরোপুরি কোরবানির পশুর বর্জ্য সরানো হয়নি। এতে দুর্গন্ধে নাজেহাল এলাকাবাসী।
১২ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা থাকলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন এলাকার বাসা-বাড়ির সামনে, কোথাও আবার সড়কের পাশে পড়ে আছে কোরবানির বর্জ্য। এতে দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণ নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ডাস্টবিনের পাশে কিংবা অলিগলিতে পড়ে আছে পশুর নাড়িভুঁড়ি ও আবর্জনা।
এদিকে, বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে কোথাও কোথাও এসব বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশেও। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে যেমন সমস্যা হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কাও।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে আগে থেকেই দ্রুত বর্জ্য অপসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। লক্ষ্য ছিল নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নগরীর কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করা। তবে বর্জ্যের পরিমাণ বেশি হওয়ায় কাজ শেষ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এমনটাই বলেছেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা।
নগরবাসীর অভিযোগ, দ্রুত বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় অনেক এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র দুর্গন্ধ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় এসব বর্জ্য পড়ে থাকলে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়তে পারে বিভিন্ন রোগজীবাণু।
বিশেষ করে বৃষ্টির সময় এসব বর্জ্য ড্রেনে গিয়ে জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।
তবে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বলছেন, সীমিত সময়ের মধ্যে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সরাতে তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এখন নগরবাসীর প্রত্যাশা— দ্রুত সময়ের মধ্যেই রাজধানীর সব এলাকায় সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হবে কোরবানির পশুর বর্জ্য।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
রাজধানীর অনেক এলাকায় এখনও পুরোপুরি কোরবানির পশুর বর্জ্য সরানো হয়নি। এতে দুর্গন্ধে নাজেহাল এলাকাবাসী।
১২ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা থাকলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন এলাকার বাসা-বাড়ির সামনে, কোথাও আবার সড়কের পাশে পড়ে আছে কোরবানির বর্জ্য। এতে দুর্গন্ধ ও পরিবেশ দূষণ নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ডাস্টবিনের পাশে কিংবা অলিগলিতে পড়ে আছে পশুর নাড়িভুঁড়ি ও আবর্জনা।
এদিকে, বৃষ্টির পানির সঙ্গে মিশে কোথাও কোথাও এসব বর্জ্য ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশেও। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে যেমন সমস্যা হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কাও।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে আগে থেকেই দ্রুত বর্জ্য অপসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। লক্ষ্য ছিল নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নগরীর কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করা। তবে বর্জ্যের পরিমাণ বেশি হওয়ায় কাজ শেষ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এমনটাই বলেছেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা।
নগরবাসীর অভিযোগ, দ্রুত বর্জ্য অপসারণ না হওয়ায় অনেক এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র দুর্গন্ধ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় এসব বর্জ্য পড়ে থাকলে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি ছড়িয়ে পড়তে পারে বিভিন্ন রোগজীবাণু।
বিশেষ করে বৃষ্টির সময় এসব বর্জ্য ড্রেনে গিয়ে জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে।
তবে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বলছেন, সীমিত সময়ের মধ্যে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সরাতে তারা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এখন নগরবাসীর প্রত্যাশা— দ্রুত সময়ের মধ্যেই রাজধানীর সব এলাকায় সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা হবে কোরবানির পশুর বর্জ্য।

আপনার মতামত লিখুন