সংবাদ

সংসদের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ আমলের বিসিএস নিয়োগে ‘দুর্নীতি ও দলীয়করণের’ তদন্ত হচ্ছে


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১১ পিএম

আওয়ামী লীগ আমলের বিসিএস নিয়োগে ‘দুর্নীতি ও দলীয়করণের’ তদন্ত হচ্ছে

আওয়ামী লীগের আমলে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি দলীয়করণের বিষয়ে দুদকসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনুসন্ধান তদন্ত করছে বলে সংসদে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন সুপারিশ পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে পাবনা- আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিতে অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নটি ছিল, “আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৬ বছর প্রশাসনে দলীয়করণে চরম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে কতজন বিসিএস ক্যাডারকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে, কতজন বিসিএস অফিসারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে, কতজন বিসিএস অফিসারকে ওএসডি করা হয়েছে?”

তার আরেকটি প্রশ্ন ছিল, “বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি দলীয়করণের অভিযোগগুলো নিয়ে সরকার তদন্তপূর্বক কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কিনা?”

জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৬ বছর বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১২ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, ৩৯ জন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত এবং ৫৬৪ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করেছে।

তিনি আরও বলেন, “বিগত আওয়ামী লীগের সময় বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি, দলীয়করণের বিষয়ে দুদকসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনুসন্ধান তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন সুপারিশ পাওয়ার পর সে বিষয়ে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬


আওয়ামী লীগ আমলের বিসিএস নিয়োগে ‘দুর্নীতি ও দলীয়করণের’ তদন্ত হচ্ছে

প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

আওয়ামী লীগের আমলে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতি দলীয়করণের বিষয়ে দুদকসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনুসন্ধান তদন্ত করছে বলে সংসদে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন সুপারিশ পাওয়ার পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে পাবনা- আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকালে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিতে অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের লিখিত প্রশ্নটি ছিল, “আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৬ বছর প্রশাসনে দলীয়করণে চরম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে কতজন বিসিএস ক্যাডারকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে, কতজন বিসিএস অফিসারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে, কতজন বিসিএস অফিসারকে ওএসডি করা হয়েছে?”

তার আরেকটি প্রশ্ন ছিল, “বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি দলীয়করণের অভিযোগগুলো নিয়ে সরকার তদন্তপূর্বক কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করবে কিনা?”

জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৬ বছর বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১২ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, ৩৯ জন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত এবং ৫৬৪ জন কর্মকর্তাকে ওএসডি করেছে।

তিনি আরও বলেন, “বিগত আওয়ামী লীগের সময় বিসিএস ক্যাডার নিয়োগে দুর্নীতি, দলীয়করণের বিষয়ে দুদকসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনুসন্ধান তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন সুপারিশ পাওয়ার পর সে বিষয়ে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত