রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় বিপুল পরিমাণ জালনোটসহ এক সংঘবদ্ধ জালনোট চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কোতয়ালী থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাতে পরিচালিত এক ঝটিকা অভিযানে তার হেফাজত থেকে মোট ৪০ লক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার ওই তরুণের নাম আলী আজগর সিকদার, যার বয়স মাত্র ২৩ বছর।
বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, পহেলা বৈশাখের ডামাডোলের সুযোগে বাজারে এই বিশাল অংকের জালনোট ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিলো বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
কোতয়ালী থানা পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের ৯ নম্বর গেট এলাকায় এক যুবককে জালনোটসহ সাধারণ মানুষ আটকে রেখেছে বলে পুলিশের কাছে খবর আসে। তাৎক্ষণিকভাবে কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলী আজগর সিকদারকে তাদের হেফাজতে নেয় এবং উপস্থিত জনসাধারণের হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে। এরপর আইনানুগ তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে থরে থরে সাজানো ৪০ লক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার নোটগুলো এতটাই সূক্ষ্মভাবে তৈরি যে, খালি চোখে সাধারণ মানুষের পক্ষে আসল-নকল পার্থক্য করা অত্যন্ত দুরুহ।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আলী আজগর স্বীকার করেছে যে সে দীর্ঘদিন ধরেই এই জালনোট ব্যবসার সাথে জড়িত। ঈদ বা উৎসবের মৌসুমে যখন বাজারে টাকার প্রবাহ বাড়ে, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সে জালনোটগুলো আসল টাকার ভিড়ে সরবরাহ করে আসছিলো।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, উদ্ধার নোটগুলো প্রাথমিকভাবে জালনোট হিসেবেই প্রমাণিত হয়েছে এবং অভিযুক্ত যুবককে ইতিমধ্যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই চক্রের পেছনে আরও বড় কোনো কারিগর বা ডিলার জড়িত কি না, তা বের করতে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর প্রধান নদীবন্দর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় বিপুল পরিমাণ জালনোটসহ এক সংঘবদ্ধ জালনোট চক্রের সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কোতয়ালী থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) রাতে পরিচালিত এক ঝটিকা অভিযানে তার হেফাজত থেকে মোট ৪০ লক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার ওই তরুণের নাম আলী আজগর সিকদার, যার বয়স মাত্র ২৩ বছর।
বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, পহেলা বৈশাখের ডামাডোলের সুযোগে বাজারে এই বিশাল অংকের জালনোট ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিলো বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
কোতয়ালী থানা পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের ৯ নম্বর গেট এলাকায় এক যুবককে জালনোটসহ সাধারণ মানুষ আটকে রেখেছে বলে পুলিশের কাছে খবর আসে। তাৎক্ষণিকভাবে কোতয়ালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলী আজগর সিকদারকে তাদের হেফাজতে নেয় এবং উপস্থিত জনসাধারণের হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে। এরপর আইনানুগ তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে থরে থরে সাজানো ৪০ লক্ষ টাকার জালনোট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার নোটগুলো এতটাই সূক্ষ্মভাবে তৈরি যে, খালি চোখে সাধারণ মানুষের পক্ষে আসল-নকল পার্থক্য করা অত্যন্ত দুরুহ।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আলী আজগর স্বীকার করেছে যে সে দীর্ঘদিন ধরেই এই জালনোট ব্যবসার সাথে জড়িত। ঈদ বা উৎসবের মৌসুমে যখন বাজারে টাকার প্রবাহ বাড়ে, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সে জালনোটগুলো আসল টাকার ভিড়ে সরবরাহ করে আসছিলো।
ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, উদ্ধার নোটগুলো প্রাথমিকভাবে জালনোট হিসেবেই প্রমাণিত হয়েছে এবং অভিযুক্ত যুবককে ইতিমধ্যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই চক্রের পেছনে আরও বড় কোনো কারিগর বা ডিলার জড়িত কি না, তা বের করতে তদন্ত অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন