সংবাদ

দেওনাই নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন

জরিমানার খবর শুনেই জ্ঞান হারালেন দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি


প্রতিনিধি, ডোমার (নীলফামারী)
প্রতিনিধি, ডোমার (নীলফামারী)
প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম

জরিমানার খবর শুনেই জ্ঞান হারালেন দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি
ছবি : সংবাদ

নীলফামারীর ডোমারে দেওনাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে দুই ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালতের জরিমানার আদেশ শোনার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের ধরধরার পাড় এলাকায় দেওনাই নদে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শায়লা সাঈদ তন্বী।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন-হরিণচড়া এলাকার মো. ফারুক (৩০) এবং ডিমলা উপজেলার ট্রাক্টরচালক অমল (২৮)। আদালত তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জরিমানার আদেশ ঘোষণা করার পরপরই অভিযুক্ত ফারুক হোসেন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। অবশ্য কিছুক্ষণ পর তার জ্ঞান ফিরে আসে এবং তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে দিন-রাত সমানতালে দেওনাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীর তীর ভেঙে পড়ার পাশাপাশি আশপাশের ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের কড়াকড়ি থাকলেও চক্রটি বিভিন্ন উপায়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। গ্রামবাসী এসব অবৈধ কার্যক্রম চিরতরে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, ‘অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুজনকে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে না পারলে তাদের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও নদীতীর ভাঙন রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

তিনি এ বিষয়ে স্থানীয় জনসাধারণকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬


জরিমানার খবর শুনেই জ্ঞান হারালেন দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি

প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

নীলফামারীর ডোমারে দেওনাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে দুই ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালতের জরিমানার আদেশ শোনার পরপরই দণ্ডপ্রাপ্ত এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার হরিণচড়া ইউনিয়নের ধরধরার পাড় এলাকায় দেওনাই নদে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শায়লা সাঈদ তন্বী।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন-হরিণচড়া এলাকার মো. ফারুক (৩০) এবং ডিমলা উপজেলার ট্রাক্টরচালক অমল (২৮)। আদালত তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে মোট এক লাখ টাকা জরিমানা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জরিমানার আদেশ ঘোষণা করার পরপরই অভিযুক্ত ফারুক হোসেন আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। অবশ্য কিছুক্ষণ পর তার জ্ঞান ফিরে আসে এবং তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে দিন-রাত সমানতালে দেওনাই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীর তীর ভেঙে পড়ার পাশাপাশি আশপাশের ফসলি জমি হুমকির মুখে পড়েছে। প্রশাসনের কড়াকড়ি থাকলেও চক্রটি বিভিন্ন উপায়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল। গ্রামবাসী এসব অবৈধ কার্যক্রম চিরতরে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শায়লা সাঈদ তন্বী বলেন, ‘অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুজনকে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে না পারলে তাদের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও নদীতীর ভাঙন রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

তিনি এ বিষয়ে স্থানীয় জনসাধারণকেও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত