বাংলাদেশ পুলিশের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে এই বৈঠকে মিলিত হন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারা কুক। এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা ইস্যুতে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পুলিশ।
আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের অব্যাহত সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। হাইকমিশনার বলেন, সংগঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ, অনিয়মিত মাইগ্রেশন, মানবপাচার, মানি লন্ডারিং, ভিসা জালিয়াতি এবং ভুয়া দলিলাদি যাচাইয়ের মতো জটিল বিষয়গুলোতে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে যুক্তরাজ্য বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদানের আগ্রহ রাখছে।
এছাড়া তিনি বাংলাদেশ পুলিশের চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তুতির কথা গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করেন।
আইজিপি বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের এই আগ্রহ ও সহযোগিতার প্রস্তাবকে উষ্ণভাবে স্বাগত জানান। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পুলিশের আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আইজিপি হাইকমিশনারকে জানান, বাংলাদেশ পুলিশকে আরও জনবান্ধব ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পুলিশের এই সামগ্রিক সংস্কার ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের কারিগরি সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ পুলিশের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সঙ্গে এই বৈঠকে মিলিত হন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারা কুক। এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিরাপত্তা ইস্যুতে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পুলিশ।
আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের অব্যাহত সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। হাইকমিশনার বলেন, সংগঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ, অনিয়মিত মাইগ্রেশন, মানবপাচার, মানি লন্ডারিং, ভিসা জালিয়াতি এবং ভুয়া দলিলাদি যাচাইয়ের মতো জটিল বিষয়গুলোতে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে যুক্তরাজ্য বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদানের আগ্রহ রাখছে।
এছাড়া তিনি বাংলাদেশ পুলিশের চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ায় যুক্তরাজ্যের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রস্তুতির কথা গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করেন।
আইজিপি বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের এই আগ্রহ ও সহযোগিতার প্রস্তাবকে উষ্ণভাবে স্বাগত জানান। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পুলিশের আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আইজিপি হাইকমিশনারকে জানান, বাংলাদেশ পুলিশকে আরও জনবান্ধব ও পেশাদার বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পুলিশের এই সামগ্রিক সংস্কার ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যুক্তরাজ্যের কারিগরি সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময় অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

আপনার মতামত লিখুন