সংবাদ

কায়দা করে লুকানো ৩১ লাখ শলাকা সিগারেট

মোটর পার্টসের আড়ালে সাড়ে ৪ কোটির বিদেশি সিগারেট জব্দ


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম

মোটর পার্টসের আড়ালে সাড়ে ৪ কোটির বিদেশি সিগারেট জব্দ

পানগাঁও কাস্টমস হাউসে মিথ্যা ঘোষণায় আসা একটি বিশাল বিদেশি সিগারেটের চালান আটক করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে আসা এই চালানে মূলত পুরনো মোটর পার্টস আমদানির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু কাস্টমস কর্মকর্তাদের তল্লাশিতে মোটর পার্টসের আড়ালে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় ১৫ হাজার ৪৪৩টি ছোট কার্টুনে মোট ৩১ লাখ শলাকা আমদানি নিয়ন্ত্রিত বিদেশি সিগারেট পাওয়া যায়।

আটক এই বিপুল পরিমাণ সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ এপ্রিল বিকেলে দুবাই থেকে আসা এই পণ্য চালানটিতে তল্লাশি চালায় পানগাঁও কাস্টমস হাউসের একটি বিশেষ দল। আমদানিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, পণ্য চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো 'মৈত্রী অটোমোবাইল' এবং এটি খালাসের দায়িত্বে ছিলো সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট 'মিতুল ট্রেড লিমিটেড'

কাস্টমস কর্মকর্তারা চালানটি পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখতে পান, বস্তা কার্টনের ভেতরে পুরনো মোটর পার্টসের স্তূপ সাজানো ছিলো, যার নিচেই অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে লুকিয়ে রাখা হয়েছিলো এসব বিদেশি সিগারেট।

এই চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির বিষয়ে কমিশনার অব কাস্টমস হাউস, পানগাঁও বলেন, “রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং অবৈধ পণ্য আমদানি প্রতিরোধে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সর্বদা সজাগ রয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা এই অভিযান পরিচালনা করি এবং বড় ধরনের একটি কর ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা নস্যাৎ করতে সক্ষম হই। অবৈধ বা নিয়ন্ত্রিত পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশের যেকোনো চেষ্টা রুখে দিতে কাস্টমসের ধরনের বিশেষ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির দায়ে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন-২০২৩ এবং দেশের প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই চালানের পেছনে আর কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে জব্দ সিগারেটগুলো কাস্টমসের হেফাজতে সংরক্ষিত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬


মোটর পার্টসের আড়ালে সাড়ে ৪ কোটির বিদেশি সিগারেট জব্দ

প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

পানগাঁও কাস্টমস হাউসে মিথ্যা ঘোষণায় আসা একটি বিশাল বিদেশি সিগারেটের চালান আটক করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে আসা এই চালানে মূলত পুরনো মোটর পার্টস আমদানির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিলো। কিন্তু কাস্টমস কর্মকর্তাদের তল্লাশিতে মোটর পার্টসের আড়ালে বিশেষ কৌশলে লুকানো অবস্থায় ১৫ হাজার ৪৪৩টি ছোট কার্টুনে মোট ৩১ লাখ শলাকা আমদানি নিয়ন্ত্রিত বিদেশি সিগারেট পাওয়া যায়।

আটক এই বিপুল পরিমাণ সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৫ এপ্রিল বিকেলে দুবাই থেকে আসা এই পণ্য চালানটিতে তল্লাশি চালায় পানগাঁও কাস্টমস হাউসের একটি বিশেষ দল। আমদানিপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, পণ্য চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো 'মৈত্রী অটোমোবাইল' এবং এটি খালাসের দায়িত্বে ছিলো সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট 'মিতুল ট্রেড লিমিটেড'

কাস্টমস কর্মকর্তারা চালানটি পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখতে পান, বস্তা কার্টনের ভেতরে পুরনো মোটর পার্টসের স্তূপ সাজানো ছিলো, যার নিচেই অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে লুকিয়ে রাখা হয়েছিলো এসব বিদেশি সিগারেট।

এই চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির বিষয়ে কমিশনার অব কাস্টমস হাউস, পানগাঁও বলেন, “রাজস্ব ফাঁকি রোধ এবং অবৈধ পণ্য আমদানি প্রতিরোধে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সর্বদা সজাগ রয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা এই অভিযান পরিচালনা করি এবং বড় ধরনের একটি কর ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা নস্যাৎ করতে সক্ষম হই। অবৈধ বা নিয়ন্ত্রিত পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশের যেকোনো চেষ্টা রুখে দিতে কাস্টমসের ধরনের বিশেষ অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির দায়ে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন-২০২৩ এবং দেশের প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই চালানের পেছনে আর কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে জব্দ সিগারেটগুলো কাস্টমসের হেফাজতে সংরক্ষিত রয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত