১৮৪৯ সাল থেকে যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গুণীজনদের জীবনী প্রকাশ ও সম্মাননা প্রদান করে আসা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এবার সম্মানিত করেছে বাংলাদেশের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ববিতাকে।
১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটন-এর গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী ববিতার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন।
সম্মাননা পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ববিতা বলেন, আমার বাবার স্বপ্ন ছিল আমরা ভাইবোনেরা যেন সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পারি। আমরা চেষ্টা করেছি সেই স্বপ্ন পূরণ করতে। আজ জীবনের এই পর্যায়ে এসে এই সম্মাননা পেয়ে বাবার কথাই খুব মনে পড়ছে। জীবনে অনেক সম্মাননা পেয়েছি, তবে এটি আলাদা—কারণ এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আমার বাবা জানতেন। তাই এই স্বীকৃতি আমার কাছে আরও বিশেষ।”
তিনি আরও বলেন, এই সম্মাননা আমি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে উৎসর্গ করছি। ধন্যবাদ আয়োজকদের এবং প্রধান অতিথিকে এমন সুন্দর একটি আয়োজনের জন্য।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইয়াসির খান চৌধুরী বলেন, এ ধরনের আয়োজনে এসে সত্যিই ভালো লাগে। এখানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিরা, প্রকৃত তারকারাই উপস্থিত হয়েছেন। তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দিতে পেরে আমি গর্বিত। এই স্বীকৃতি তাদের কর্মস্পৃহা আরও বাড়াবে এবং সমাজের অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।”
উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানে ববিতা ছাড়াও কৃষি, শিক্ষা, শিল্প-সাহিত্য, উদ্যোক্তা, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরও ১১ জন গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের গর্ব ববিতা এরই মধ্যে জাতীয় পর্যায়েও স্বীকৃতি পেয়েছেন। সম্প্রতি তিনি একুশে পদক-এ ভূষিত হয়েছেন।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে নতুন কোনো চলচ্চিত্রে কাজ করছেন না এই নন্দিত অভিনেত্রী। তবে ভালো গল্প পেলে আবারও অভিনয়ে ফিরতে চান বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
১৮৪৯ সাল থেকে যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গুণীজনদের জীবনী প্রকাশ ও সম্মাননা প্রদান করে আসা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এবার সম্মানিত করেছে বাংলাদেশের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ববিতাকে।
১৮ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটন-এর গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরী ববিতার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন।
সম্মাননা পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ববিতা বলেন, আমার বাবার স্বপ্ন ছিল আমরা ভাইবোনেরা যেন সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পারি। আমরা চেষ্টা করেছি সেই স্বপ্ন পূরণ করতে। আজ জীবনের এই পর্যায়ে এসে এই সম্মাননা পেয়ে বাবার কথাই খুব মনে পড়ছে। জীবনে অনেক সম্মাননা পেয়েছি, তবে এটি আলাদা—কারণ এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে আমার বাবা জানতেন। তাই এই স্বীকৃতি আমার কাছে আরও বিশেষ।”
তিনি আরও বলেন, এই সম্মাননা আমি বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে উৎসর্গ করছি। ধন্যবাদ আয়োজকদের এবং প্রধান অতিথিকে এমন সুন্দর একটি আয়োজনের জন্য।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইয়াসির খান চৌধুরী বলেন, এ ধরনের আয়োজনে এসে সত্যিই ভালো লাগে। এখানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিরা, প্রকৃত তারকারাই উপস্থিত হয়েছেন। তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দিতে পেরে আমি গর্বিত। এই স্বীকৃতি তাদের কর্মস্পৃহা আরও বাড়াবে এবং সমাজের অন্যদের অনুপ্রাণিত করবে।”
উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানে ববিতা ছাড়াও কৃষি, শিক্ষা, শিল্প-সাহিত্য, উদ্যোক্তা, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরও ১১ জন গুণীজনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের গর্ব ববিতা এরই মধ্যে জাতীয় পর্যায়েও স্বীকৃতি পেয়েছেন। সম্প্রতি তিনি একুশে পদক-এ ভূষিত হয়েছেন।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে নতুন কোনো চলচ্চিত্রে কাজ করছেন না এই নন্দিত অভিনেত্রী। তবে ভালো গল্প পেলে আবারও অভিনয়ে ফিরতে চান বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন