ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশপথে বড় ধরনের পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে সরকার। অদূর ভবিষ্যতে এই বিমানবন্দরটি একটি প্রভাবশালী আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।
সোমবার
বিমানবন্দরে নবনির্মিত অত্যাধুনিক এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট
সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আশাবাদ
ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী জানান, দেশের আকাশসীমাকে আরও নিরাপদ ও
আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে
এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শাহজালাল
বিমানবন্দরে এক জমকালো অনুষ্ঠানে
এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা
করা হয়।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, "আমরা
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে একটি বৈশ্বিক এভিয়েশন
হাবে পরিণত করতে চাই। আপনাদের
সবার সহযোগিতায় আমাদের সেই লক্ষ্য পূরণ
হবে। আমরা আপনাদের যে
কোনো ধরনের সহযোগিতা করতে সদা প্রস্তুত।"
তিনি
আরও যোগ করেন, "আমরা
অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে একটি অত্যাধুনিক ও
স্বয়ংক্রিয় এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট
সিস্টেমের শুভ উদ্বোধন করছি;
যা আমাদের আকাশসীমাকে আরও নিরাপদ, দক্ষ
এবং আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করবে।"
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। নতুন এই ব্যবস্থার
কারিগরি সক্ষমতা তুলে ধরে তিনি
বলেন, "নতুন এয়ার ট্রাফিক
ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
পরিসরের সমন্বিত আকাশসীমা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য উল্লেখযোগ্য সুযোগ
সৃষ্টি করবে। তথ্য আদান-প্রদানের
মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করে আমরা ধীরে
ধীরে নিজেদের একটি আঞ্চলিক অ্যাভিয়েশন
হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যাচ্ছি।"
সংশ্লিষ্টরা
মনে করছেন, এই উন্নত সিস্টেম
চালুর ফলে বাংলাদেশের আকাশসীমা
নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এটি শুধু বিমান
চলাচলকেই নিরাপদ করবে না, বরং
বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোকে ঢাকার আকাশসীমা ব্যবহারে আরও উৎসাহিত করবে।
সরকারের এই দূরদর্শী পদক্ষেপ
বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে বিশ্ব দরবারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাবে বলে আশা করা
হচ্ছে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ এশিয়ার আকাশপথে বড় ধরনের পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছে সরকার। অদূর ভবিষ্যতে এই বিমানবন্দরটি একটি প্রভাবশালী আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।
সোমবার
বিমানবন্দরে নবনির্মিত অত্যাধুনিক এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট
সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আশাবাদ
ব্যক্ত করেন। মন্ত্রী জানান, দেশের আকাশসীমাকে আরও নিরাপদ ও
আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে
এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শাহজালাল
বিমানবন্দরে এক জমকালো অনুষ্ঠানে
এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা
করা হয়।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, "আমরা
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে একটি বৈশ্বিক এভিয়েশন
হাবে পরিণত করতে চাই। আপনাদের
সবার সহযোগিতায় আমাদের সেই লক্ষ্য পূরণ
হবে। আমরা আপনাদের যে
কোনো ধরনের সহযোগিতা করতে সদা প্রস্তুত।"
তিনি
আরও যোগ করেন, "আমরা
অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে একটি অত্যাধুনিক ও
স্বয়ংক্রিয় এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট
সিস্টেমের শুভ উদ্বোধন করছি;
যা আমাদের আকাশসীমাকে আরও নিরাপদ, দক্ষ
এবং আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করবে।"
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী
এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। নতুন এই ব্যবস্থার
কারিগরি সক্ষমতা তুলে ধরে তিনি
বলেন, "নতুন এয়ার ট্রাফিক
ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ৩৫০ নটিক্যাল মাইল
পরিসরের সমন্বিত আকাশসীমা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতার জন্য উল্লেখযোগ্য সুযোগ
সৃষ্টি করবে। তথ্য আদান-প্রদানের
মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করে আমরা ধীরে
ধীরে নিজেদের একটি আঞ্চলিক অ্যাভিয়েশন
হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে যাচ্ছি।"
সংশ্লিষ্টরা
মনে করছেন, এই উন্নত সিস্টেম
চালুর ফলে বাংলাদেশের আকাশসীমা
নিয়ন্ত্রণে সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এটি শুধু বিমান
চলাচলকেই নিরাপদ করবে না, বরং
বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোকে ঢাকার আকাশসীমা ব্যবহারে আরও উৎসাহিত করবে।
সরকারের এই দূরদর্শী পদক্ষেপ
বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতকে বিশ্ব দরবারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাবে বলে আশা করা
হচ্ছে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন