ইসরায়েলের সঙ্গে বিদ্যমান ‘অ্যাসোসিয়েশন এগ্রিমেন্ট’ বা অংশীদারিত্ব চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ছিন্ন করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) অনুরোধ জানাবে স্পেন। আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ইইউ-এর কাছে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেবে দেশটি।
গত রোববার স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল আন্দালুসিয়ায়
এক নির্বাচনি সমাবেশে স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী সানচেজ অভিযোগ করেছেন, তেলআবিব ক্রমাগত আন্তর্জাতিক
আইন লঙ্ঘন করছে। তিনি বলেন:
"আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী কোনো সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের
অংশীদার হতে পারে না। ২০০০ সালে কার্যকর হওয়া ইইউ–ইসরায়েল চুক্তিতে মানবাধিকার রক্ষার
কঠোর শর্ত রয়েছে, যা বর্তমানে লঙ্ঘিত হচ্ছে।"
এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্পেন ও আয়ারল্যান্ড যৌথভাবে
ইউরোপীয় কমিশনের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। সেখানে গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের
মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনার আহ্বান জানানো হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সরাসরি
চুক্তি বাতিলের প্রস্তাব আনতে যাচ্ছে স্পেন।
স্পেনের এই ঘোষণায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পেনের বিরুদ্ধে ‘শত্রুতা’ ও ‘দ্বিচারিতা’র অভিযোগ তোলেন।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার
সামাজিক মাধ্যমে স্প্যানিশ ভাষায় দেওয়া এক বার্তায় বলেন, তার দেশ কোনো দ্বিচারিতাপূর্ণ
উপদেশ গ্রহণ করবে না। তিনি তুরস্ক ও ভেনেজুয়েলার মতো দেশগুলোর সঙ্গে স্পেনের সুসম্পর্কের
বিষয়টি টেনে স্প্যানিশ সরকারের সমালোচনা করেন।
আগামীকাল স্পেনের এই প্রস্তাব ইইউ-এর সদর দপ্তরে উত্থাপিত
হওয়ার পর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ইসরায়েলের সঙ্গে বিদ্যমান ‘অ্যাসোসিয়েশন এগ্রিমেন্ট’ বা অংশীদারিত্ব চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ছিন্ন করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে (ইইউ) অনুরোধ জানাবে স্পেন। আগামীকাল মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ইইউ-এর কাছে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেবে দেশটি।
গত রোববার স্পেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল আন্দালুসিয়ায়
এক নির্বাচনি সমাবেশে স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রী সানচেজ অভিযোগ করেছেন, তেলআবিব ক্রমাগত আন্তর্জাতিক
আইন লঙ্ঘন করছে। তিনি বলেন:
"আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী কোনো সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের
অংশীদার হতে পারে না। ২০০০ সালে কার্যকর হওয়া ইইউ–ইসরায়েল চুক্তিতে মানবাধিকার রক্ষার
কঠোর শর্ত রয়েছে, যা বর্তমানে লঙ্ঘিত হচ্ছে।"
এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্পেন ও আয়ারল্যান্ড যৌথভাবে
ইউরোপীয় কমিশনের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছিল। সেখানে গাজা যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের
মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনার আহ্বান জানানো হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সরাসরি
চুক্তি বাতিলের প্রস্তাব আনতে যাচ্ছে স্পেন।
স্পেনের এই ঘোষণায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পেনের বিরুদ্ধে ‘শত্রুতা’ ও ‘দ্বিচারিতা’র অভিযোগ তোলেন।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিয়ন সার
সামাজিক মাধ্যমে স্প্যানিশ ভাষায় দেওয়া এক বার্তায় বলেন, তার দেশ কোনো দ্বিচারিতাপূর্ণ
উপদেশ গ্রহণ করবে না। তিনি তুরস্ক ও ভেনেজুয়েলার মতো দেশগুলোর সঙ্গে স্পেনের সুসম্পর্কের
বিষয়টি টেনে স্প্যানিশ সরকারের সমালোচনা করেন।
আগামীকাল স্পেনের এই প্রস্তাব ইইউ-এর সদর দপ্তরে উত্থাপিত
হওয়ার পর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন