সামাজিক
সুরক্ষা বলয়কে আরও সুসংহত ও
গতিশীল করতে ফ্যামিলি কার্ডসহ
গুরুত্বপূর্ণ ১৮টি সামাজিক নিরাপত্তা
কর্মসূচির বাজেট নির্ধারণ ও সার্বিক তদারকির
দায়িত্ব পেয়েছে নবগঠিত মন্ত্রিসভা কমিটি।
অর্থমন্ত্রীকে
সভাপতি করে এই ১৪
সদস্যের শক্তিশালী কমিটি গঠন করেছে সরকার।
রবিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত
একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত
দেশের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের
কাছে সরকারি সহায়তার সুফল সঠিকভাবে পৌঁছে
দিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ
নেওয়া হয়েছে।
নতুন
এই কমিটির অধীনে ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্কভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা
ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং বীর
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলো
অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া
মা ও শিশু সহায়তা,
ভিডব্লিউবি, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, ভিজিএফ এবং কৃষক কার্ডের
মতো মাঠ পর্যায়ের বিশাল
সব কর্মকাণ্ড এখন থেকে সরাসরি
এই কমিটির নজরদারিতে থাকবে।
শুধু
তাই নয়, ক্যানসার, কিডনি,
লিভার সিরোসিস বা জন্মগত হৃদরোগের
মতো জটিল রোগে আক্রান্তদের
আর্থিক সহায়তা এবং অতি দরিদ্রদের
কর্মসংস্থান কর্মসূচিও এই কমিটির কার্যপরিধিতে
রাখা হয়েছে। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও উপাসনালয়ের কর্মীদের
সম্মানী প্রদানের বিষয়টিও এখন থেকে এই
কমিটি তদারকি করবে।
প্রজ্ঞাপনে
জানানো হয়েছে, কমিটির সভায় অর্থমন্ত্রীর পাশাপাশি
স্থানীয় সরকার, মহিলা ও শিশুবিষয়ক, সমাজকল্যাণ,
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ও কৃষি মন্ত্রণালয়সহ
মোট ১২টি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী
ও প্রতিমন্ত্রীরা সদস্য হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সচিবরা কমিটিকে প্রশাসনিক সহায়তা দেবেন।
কমিটির
কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি বছর মার্চ মাসে
একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে
যেখানে গত এক বছরের
কাজের মূল্যায়ন এবং আগামী অর্থবছরের
জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট নির্ধারণ করা হবে। এছাড়াও
প্রতি তিন মাস অন্তর
কমিটির নিয়মিত সভা আয়োজনের নির্দেশনা
দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য,
২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর গঠিত
আগের কমিটি বাতিল করে বর্তমানের এই
নতুন কমিটি গঠন করা হলো।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সাচিবিক
সহায়তা প্রদান করবে এবং প্রয়োজনে
নতুন সদস্য যুক্ত করার সুযোগ রাখা
হয়েছে।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
সামাজিক
সুরক্ষা বলয়কে আরও সুসংহত ও
গতিশীল করতে ফ্যামিলি কার্ডসহ
গুরুত্বপূর্ণ ১৮টি সামাজিক নিরাপত্তা
কর্মসূচির বাজেট নির্ধারণ ও সার্বিক তদারকির
দায়িত্ব পেয়েছে নবগঠিত মন্ত্রিসভা কমিটি।
অর্থমন্ত্রীকে
সভাপতি করে এই ১৪
সদস্যের শক্তিশালী কমিটি গঠন করেছে সরকার।
রবিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত
একটি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত
দেশের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের
কাছে সরকারি সহায়তার সুফল সঠিকভাবে পৌঁছে
দিতেই এই বিশেষ উদ্যোগ
নেওয়া হয়েছে।
নতুন
এই কমিটির অধীনে ফ্যামিলি কার্ড, বয়স্কভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা
ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা এবং বীর
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিগুলো
অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া
মা ও শিশু সহায়তা,
ভিডব্লিউবি, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, ভিজিএফ এবং কৃষক কার্ডের
মতো মাঠ পর্যায়ের বিশাল
সব কর্মকাণ্ড এখন থেকে সরাসরি
এই কমিটির নজরদারিতে থাকবে।
শুধু
তাই নয়, ক্যানসার, কিডনি,
লিভার সিরোসিস বা জন্মগত হৃদরোগের
মতো জটিল রোগে আক্রান্তদের
আর্থিক সহায়তা এবং অতি দরিদ্রদের
কর্মসংস্থান কর্মসূচিও এই কমিটির কার্যপরিধিতে
রাখা হয়েছে। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও উপাসনালয়ের কর্মীদের
সম্মানী প্রদানের বিষয়টিও এখন থেকে এই
কমিটি তদারকি করবে।
প্রজ্ঞাপনে
জানানো হয়েছে, কমিটির সভায় অর্থমন্ত্রীর পাশাপাশি
স্থানীয় সরকার, মহিলা ও শিশুবিষয়ক, সমাজকল্যাণ,
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক ও কৃষি মন্ত্রণালয়সহ
মোট ১২টি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী
ও প্রতিমন্ত্রীরা সদস্য হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট সচিবরা কমিটিকে প্রশাসনিক সহায়তা দেবেন।
কমিটির
কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি বছর মার্চ মাসে
একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে
যেখানে গত এক বছরের
কাজের মূল্যায়ন এবং আগামী অর্থবছরের
জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট নির্ধারণ করা হবে। এছাড়াও
প্রতি তিন মাস অন্তর
কমিটির নিয়মিত সভা আয়োজনের নির্দেশনা
দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য,
২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর গঠিত
আগের কমিটি বাতিল করে বর্তমানের এই
নতুন কমিটি গঠন করা হলো।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে সাচিবিক
সহায়তা প্রদান করবে এবং প্রয়োজনে
নতুন সদস্য যুক্ত করার সুযোগ রাখা
হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন