দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জন প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই তালিকা ঘোষণা করেন। তবে এবারের তালিকায় নতুন মুখ ও চমকের ছড়াছড়ি থাকলেও সবাইকে অবাক করে দিয়ে বাদ পড়েছেন দলটির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেত্রী ও আলোচিত ব্যক্তিত্ব।
চূড়ান্ত
তালিকায় জায়গা না পাওয়া নেতাদের
মধ্যে সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে
দেখা হচ্ছে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা
আব্বাস এবং সাবেক সংসদ
সদস্য সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার অনুপস্থিতিকে।
রাজপথের
লড়াইয়ে সবসময় সরব থাকা এই
দুই নেত্রীর বাদ পড়া নিয়ে
দলের ভেতরে-বাইরে শুরু হয়েছে নানা
বিশ্লেষণ। এছাড়াও বাদ পড়েছেন সাবেক
মন্ত্রী ও প্রয়াত প্রভাবশালী
নেতা মওদুদ আহমদের সহধর্মিণী হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ ও মহিলা দলের
সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী।
শুধু
রাজনৈতিক নেত্রীই নন, সাংস্কৃতিক অঙ্গন
থেকে আসা আলোচিত মুখ
কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা, বেবি নাজনীন এবং
হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকও বিএনপির মনোনয়ন
পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।
মনোনয়ন
প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য দিয়ে রুহুল
কবির রিজভী বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন
দেওয়ার আগে জাতীয় স্থায়ী
কমিটির সদস্যরা দুই দিনব্যাপী বিস্তৃত
সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। সেই প্রক্রিয়া শেষে
অত্যন্ত সতর্কতার সাথে মনোনয়ন বোর্ড
চূড়ান্তভাবে ৩৬ জনকে মনোনীত
করেছেন।
গুলশান
কার্যালয়ে গত শুক্র ও
শনিবার দুই দফায় ৫৪৫
জন মনোনয়নপ্রত্যাশীর সাক্ষাৎকার নেয় দলটির মনোনয়ন
বোর্ড। এই বোর্ডে সভাপতিত্ব
করেন বিএনপির চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
দলীয়
সূত্রে জানা গেছে, এবার
মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান এবং দলের প্রতি
আনুগত্যকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক
বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি তাদের
এই তালিকার মাধ্যমে অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের
পাশাপাশি নতুনদেরও সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তবে হেভিওয়েটদের বাদ
পড়া এবং নতুনদের প্রাধান্য
দেওয়া দলটির ভেতরে আগামীর রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের
ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ৩৬ জন প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই তালিকা ঘোষণা করেন। তবে এবারের তালিকায় নতুন মুখ ও চমকের ছড়াছড়ি থাকলেও সবাইকে অবাক করে দিয়ে বাদ পড়েছেন দলটির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট নেত্রী ও আলোচিত ব্যক্তিত্ব।
চূড়ান্ত
তালিকায় জায়গা না পাওয়া নেতাদের
মধ্যে সবচেয়ে বড় চমক হিসেবে
দেখা হচ্ছে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা
আব্বাস এবং সাবেক সংসদ
সদস্য সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়ার অনুপস্থিতিকে।
রাজপথের
লড়াইয়ে সবসময় সরব থাকা এই
দুই নেত্রীর বাদ পড়া নিয়ে
দলের ভেতরে-বাইরে শুরু হয়েছে নানা
বিশ্লেষণ। এছাড়াও বাদ পড়েছেন সাবেক
মন্ত্রী ও প্রয়াত প্রভাবশালী
নেতা মওদুদ আহমদের সহধর্মিণী হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ ও মহিলা দলের
সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবী।
শুধু
রাজনৈতিক নেত্রীই নন, সাংস্কৃতিক অঙ্গন
থেকে আসা আলোচিত মুখ
কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা, বেবি নাজনীন এবং
হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমকও বিএনপির মনোনয়ন
পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।
মনোনয়ন
প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য দিয়ে রুহুল
কবির রিজভী বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন
দেওয়ার আগে জাতীয় স্থায়ী
কমিটির সদস্যরা দুই দিনব্যাপী বিস্তৃত
সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। সেই প্রক্রিয়া শেষে
অত্যন্ত সতর্কতার সাথে মনোনয়ন বোর্ড
চূড়ান্তভাবে ৩৬ জনকে মনোনীত
করেছেন।
গুলশান
কার্যালয়ে গত শুক্র ও
শনিবার দুই দফায় ৫৪৫
জন মনোনয়নপ্রত্যাশীর সাক্ষাৎকার নেয় দলটির মনোনয়ন
বোর্ড। এই বোর্ডে সভাপতিত্ব
করেন বিএনপির চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান।
দলীয়
সূত্রে জানা গেছে, এবার
মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান এবং দলের প্রতি
আনুগত্যকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক
বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি তাদের
এই তালিকার মাধ্যমে অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের
পাশাপাশি নতুনদেরও সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। তবে হেভিওয়েটদের বাদ
পড়া এবং নতুনদের প্রাধান্য
দেওয়া দলটির ভেতরে আগামীর রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের
ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন