সংবাদ

সাতক্ষীরায় ট্রলির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালক নিহত


প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: ৭ মে ২০২৬, ১০:১৯ এএম

সাতক্ষীরায় ট্রলির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালক নিহত
সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল। ছবি : সংবাদ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ধানবোঝাই ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গণেশ সরকার (৪৫) নামে এক চালক নিহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) বিকালে শহরের কদমতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত গণেশ সরকার সদর উপজেলার বাঁশতলা এলাকার বিরিঞ্চি সরকারের ছেলে।

নিহতের কাকাতো ভাই মনোজিত সরকার জানান, গণেশ বাড়ি থেকে ধানবোঝাই ট্রলি নিয়ে কদমতলার দিকে যাচ্ছিলেন। কদমতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এতে তিনি ট্রলির নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মনোজিত সরকার আরও বলেন, দাদার দুই মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে পূর্ণিমা সরকার বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে এবং ছোট মেয়ে মিম সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। ট্রলি চালিয়ে উপার্জিত আয়েই কোনোমতে তাদের সংসার চলত। দুর্ঘটনায় একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে পরিবারটিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ত্রিদেব দেবনাথ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


সাতক্ষীরায় ট্রলির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চালক নিহত

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image

সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ধানবোঝাই ট্রলি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গণেশ সরকার (৪৫) নামে এক চালক নিহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) বিকালে শহরের কদমতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত গণেশ সরকার সদর উপজেলার বাঁশতলা এলাকার বিরিঞ্চি সরকারের ছেলে।

নিহতের কাকাতো ভাই মনোজিত সরকার জানান, গণেশ বাড়ি থেকে ধানবোঝাই ট্রলি নিয়ে কদমতলার দিকে যাচ্ছিলেন। কদমতলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ট্রলিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এতে তিনি ট্রলির নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মনোজিত সরকার আরও বলেন, দাদার দুই মেয়ে রয়েছে। বড় মেয়ে পূর্ণিমা সরকার বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে এবং ছোট মেয়ে মিম সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। ট্রলি চালিয়ে উপার্জিত আয়েই কোনোমতে তাদের সংসার চলত। দুর্ঘটনায় একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে পরিবারটিতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ত্রিদেব দেবনাথ বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত