২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল রুপালি পর্দার একঝাঁক তারকা প্রার্থীর উপস্থিতি। তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি উভয় দলই জনপ্রিয় মুখগুলোকে ভোটের ময়দানে নামিয়েছিল। সোমবার (৪ মে) ফলাফল ঘোষণার পর দেখা গেল, ভোটাররা কাউকে দিয়েছেন দুহাত ভরে ভালোবাসা, আবার কাউকে ফিরিয়ে দিয়েছেন খালি হাতে।
এবারের নির্বাচনে হেভিওয়েট তারকাদের মধ্যে লড়াই করেছেন অভিনেতা
সোহম চক্রবর্তী, সায়ন্তিকা ব্যানার্জী, হিরণ চ্যাটার্জী, রুদ্রনীল ঘোষ এবং পরিচালক
রাজ চক্রবর্তী। ফলাফলের চিত্র বলছে, তৃণমূলের তারকা প্রার্থীরা বড় ধাক্কা খেলেও বিজেপির
তারকারা জয়ের ধারা বজায় রেখেছেন।
হিরণ চট্টোপাধ্যায় (বিজেপি): হাওড়ার
শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বড় জয় পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়।
তিনি তৃণমূল প্রার্থী নদেবাসী জানাকে ২২,২৬০ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
হিরণের এই জয় প্রমাণ করেছে রাজনৈতিক লড়াইয়ে তিনি দিন দিন আরও পরিপক্ক হয়ে উঠছেন।
রুদ্রনীল ঘোষ (বিজেপি): প্রথম
রাউন্ড থেকেই এগিয়ে ছিলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। শেষ পর্যন্ত তিনি তৃণমূলের রানা চট্টোপাধ্যায়কে
প্রায় ১৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে নিজের জয় নিশ্চিত করেন। রুদ্রনীলের প্রাপ্ত
মোট ভোট সংখ্যা ৮৩,২৯৪।
রাজ চক্রবর্তী (তৃণমূল): সিনেমার
পর্দায় হিট হলেও রাজনীতির ময়দানে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলেন জনপ্রিয় পরিচালক রাজ চক্রবর্তী।
ব্যারাকপুর কেন্দ্রে বিজেপির কৌস্তুভ বাগচীর কাছে ১৫,৮২২ ভোটে পরাজিত হয়েছেন
তিনি। এটি রাজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় পরাজয়।
সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (তৃণমূল): বরানগর
কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জী। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।
বিজেপির সজল ঘোষের কাছে ১৬ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন তিনি।
সোহম চক্রবর্তী (তৃণমূল): নদীয়ার
করিমপুর কেন্দ্র থেকে লড়াই করে পরাজিত হয়েছেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। বিজেপির সমরেন্দ্রনাথ
ঘোষের কাছে ১০,১৮৫ ভোটে হার মানতে হয়েছে এই তারকাকে।
২০২৬-এর এই নির্বাচন প্রমাণ করল যে, কেবল তারকাখ্যাতি দিয়ে
ভোট বৈতরণী পার হওয়া কঠিন। তবে তারকা প্রার্থীদের এই লড়াই পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতির মাঠে
এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এক উৎসবমুখর আমেজ বজায় রেখেছিল।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল রুপালি পর্দার একঝাঁক তারকা প্রার্থীর উপস্থিতি। তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি উভয় দলই জনপ্রিয় মুখগুলোকে ভোটের ময়দানে নামিয়েছিল। সোমবার (৪ মে) ফলাফল ঘোষণার পর দেখা গেল, ভোটাররা কাউকে দিয়েছেন দুহাত ভরে ভালোবাসা, আবার কাউকে ফিরিয়ে দিয়েছেন খালি হাতে।
এবারের নির্বাচনে হেভিওয়েট তারকাদের মধ্যে লড়াই করেছেন অভিনেতা
সোহম চক্রবর্তী, সায়ন্তিকা ব্যানার্জী, হিরণ চ্যাটার্জী, রুদ্রনীল ঘোষ এবং পরিচালক
রাজ চক্রবর্তী। ফলাফলের চিত্র বলছে, তৃণমূলের তারকা প্রার্থীরা বড় ধাক্কা খেলেও বিজেপির
তারকারা জয়ের ধারা বজায় রেখেছেন।
হিরণ চট্টোপাধ্যায় (বিজেপি): হাওড়ার
শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বড় জয় পেয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়।
তিনি তৃণমূল প্রার্থী নদেবাসী জানাকে ২২,২৬০ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
হিরণের এই জয় প্রমাণ করেছে রাজনৈতিক লড়াইয়ে তিনি দিন দিন আরও পরিপক্ক হয়ে উঠছেন।
রুদ্রনীল ঘোষ (বিজেপি): প্রথম
রাউন্ড থেকেই এগিয়ে ছিলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। শেষ পর্যন্ত তিনি তৃণমূলের রানা চট্টোপাধ্যায়কে
প্রায় ১৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে নিজের জয় নিশ্চিত করেন। রুদ্রনীলের প্রাপ্ত
মোট ভোট সংখ্যা ৮৩,২৯৪।
রাজ চক্রবর্তী (তৃণমূল): সিনেমার
পর্দায় হিট হলেও রাজনীতির ময়দানে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখলেন জনপ্রিয় পরিচালক রাজ চক্রবর্তী।
ব্যারাকপুর কেন্দ্রে বিজেপির কৌস্তুভ বাগচীর কাছে ১৫,৮২২ ভোটে পরাজিত হয়েছেন
তিনি। এটি রাজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে দ্বিতীয় পরাজয়।
সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (তৃণমূল): বরানগর
কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জী। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।
বিজেপির সজল ঘোষের কাছে ১৬ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন তিনি।
সোহম চক্রবর্তী (তৃণমূল): নদীয়ার
করিমপুর কেন্দ্র থেকে লড়াই করে পরাজিত হয়েছেন অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী। বিজেপির সমরেন্দ্রনাথ
ঘোষের কাছে ১০,১৮৫ ভোটে হার মানতে হয়েছে এই তারকাকে।
২০২৬-এর এই নির্বাচন প্রমাণ করল যে, কেবল তারকাখ্যাতি দিয়ে
ভোট বৈতরণী পার হওয়া কঠিন। তবে তারকা প্রার্থীদের এই লড়াই পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতির মাঠে
এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ায় এক উৎসবমুখর আমেজ বজায় রেখেছিল।

আপনার মতামত লিখুন