মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন নিয়ে স্থানীয় এক যুবদল নেতার বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আবদুস সালাম দাবি করেছেন, সাংবাদিকদের কাজ করতে হলে স্থানীয় বিএনপির মাধ্যমে কার্যক্রম চালাতে হবে। তবে তার এই বক্তব্যকে ‘ব্যক্তিগত’ আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক। অন্যদিকে, স্থানীয় প্রেসক্লাব ওই নেতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আবদুস সালাম নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, "রিপোর্টাররা কাজ চালাতে গেলে দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির মাধ্যমে কার্যক্রম চালাতে হবে।" তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। গণমাধ্যমকর্মীরা একে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ ও কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সেলিম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "সদস্যসচিব আবদুস সালাম যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি তার একান্তই ব্যক্তিগত। এর সঙ্গে যুবদলের সাংগঠনিক নীতি, আদর্শ বা দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।" তিনি আরও বলেন, বিএনপি বা যুবদল সবসময়ই সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। ব্যক্তিবিশেষের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের দায় দল নেবে না।
এদিকে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর এমন হুমকির নিন্দা জানিয়েছেন দৌলতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. সালমান খান। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "সাংবাদিকরা কোনো রাজনৈতিক দলের অধীনস্থ নয়। এ ধরনের বক্তব্য নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করে। আমরা এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই এবং সংশ্লিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
এই ঘটনার পর থেকে মানিকগঞ্জ জেলা জুড়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয় সাংবাদিকরা নির্ভয়ে ও স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
/

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুন ২০২৬
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালন নিয়ে স্থানীয় এক যুবদল নেতার বিতর্কিত বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আবদুস সালাম দাবি করেছেন, সাংবাদিকদের কাজ করতে হলে স্থানীয় বিএনপির মাধ্যমে কার্যক্রম চালাতে হবে। তবে তার এই বক্তব্যকে ‘ব্যক্তিগত’ আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক। অন্যদিকে, স্থানীয় প্রেসক্লাব ওই নেতার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আবদুস সালাম নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, "রিপোর্টাররা কাজ চালাতে গেলে দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির মাধ্যমে কার্যক্রম চালাতে হবে।" তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। গণমাধ্যমকর্মীরা একে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ ও কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা হিসেবে দেখছেন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দৌলতপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সেলিম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, "সদস্যসচিব আবদুস সালাম যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি তার একান্তই ব্যক্তিগত। এর সঙ্গে যুবদলের সাংগঠনিক নীতি, আদর্শ বা দলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।" তিনি আরও বলেন, বিএনপি বা যুবদল সবসময়ই সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। ব্যক্তিবিশেষের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্যের দায় দল নেবে না।
এদিকে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর এমন হুমকির নিন্দা জানিয়েছেন দৌলতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. সালমান খান। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, "সাংবাদিকরা কোনো রাজনৈতিক দলের অধীনস্থ নয়। এ ধরনের বক্তব্য নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার পরিবেশকে বাধাগ্রস্ত করে। আমরা এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাই এবং সংশ্লিষ্ট নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।"
এই ঘটনার পর থেকে মানিকগঞ্জ জেলা জুড়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। স্থানীয় সাংবাদিকরা নির্ভয়ে ও স্বাধীনভাবে পেশাগত দায়িত্ব পালনের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
/

আপনার মতামত লিখুন