সংবাদ

মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল ১৯৬৭ সালের মাইন


জেলা বার্তা পরিবেশক, মেহেরপুর
জেলা বার্তা পরিবেশক, মেহেরপুর
প্রকাশ: ৮ আগস্ট ২০২৬, ০৪:২৯ পিএম

মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল ১৯৬৭ সালের মাইন
মেহেরপুরে মাইন সাদৃশ্য বস্তু। ছবি : সংগৃহীত

মেহেরপুরের গাংনীতে মাটি কাটতে গিয়ে মাইন সদৃশ বেশ কয়েকটি পুরোনো বস্তু পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া এসব বস্তুর গায়ে ‘১৯৬৭ সালে পাকিস্তানে তৈরি’-এমন লেখা রয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে এগুলো পাওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা নুরুজ্জামান কালুর একটি পরিত্যক্ত জমিতে সকালে মাটি কাটার কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। মাটি খুঁড়তে গিয়ে তারা লোহার বাক্সের মতো কিছু বস্তুর সন্ধান পান। কৌতূহলবশত সেগুলো পরিষ্কার করতেই মাইন সদৃশ বস্তুগুলো বেরিয়ে আসে। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের গ্রামের মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাংনী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস সংবাদকে বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে জায়গাটি ঘিরে রেখেছে। মাইন সদৃশ বস্তুগুলোর গায়ে ১৯৬৭ সালের পাকিস্তানের তৈরি মাইন বলে লেখা আছে। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী এখানে পুঁতে রেখেছিল।’

পুলিশ আরও জানায়, বিষয়টি ইতিমধ্যে সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলকে (বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট) জানানো হয়েছে। তারা এসে পরীক্ষা করার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে এগুলো সচল কি না এবং এর ভেতরে কোনো বিস্ফোরক রয়েছে কি না।

বর্তমানে ওই পরিত্যক্ত জমিটি সাধারণ মানুষের প্রবেশের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং পুলিশি পাহাড়ায় রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দল না আসা পর্যন্ত মাইনগুলো উদ্ধার বা সরানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬


মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল ১৯৬৭ সালের মাইন

প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬

featured Image

মেহেরপুরের গাংনীতে মাটি কাটতে গিয়ে মাইন সদৃশ বেশ কয়েকটি পুরোনো বস্তু পাওয়া গেছে। উদ্ধার হওয়া এসব বস্তুর গায়ে ‘১৯৬৭ সালে পাকিস্তানে তৈরি’-এমন লেখা রয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার বেতবাড়িয়া গ্রামে এগুলো পাওয়ার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেতবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা নুরুজ্জামান কালুর একটি পরিত্যক্ত জমিতে সকালে মাটি কাটার কাজ করছিলেন শ্রমিকেরা। মাটি খুঁড়তে গিয়ে তারা লোহার বাক্সের মতো কিছু বস্তুর সন্ধান পান। কৌতূহলবশত সেগুলো পরিষ্কার করতেই মাইন সদৃশ বস্তুগুলো বেরিয়ে আসে। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের গ্রামের মানুষ ভিড় জমাতে শুরু করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাংনী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস সংবাদকে বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে জায়গাটি ঘিরে রেখেছে। মাইন সদৃশ বস্তুগুলোর গায়ে ১৯৬৭ সালের পাকিস্তানের তৈরি মাইন বলে লেখা আছে। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী এখানে পুঁতে রেখেছিল।’

পুলিশ আরও জানায়, বিষয়টি ইতিমধ্যে সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলকে (বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট) জানানো হয়েছে। তারা এসে পরীক্ষা করার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে এগুলো সচল কি না এবং এর ভেতরে কোনো বিস্ফোরক রয়েছে কি না।

বর্তমানে ওই পরিত্যক্ত জমিটি সাধারণ মানুষের প্রবেশের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং পুলিশি পাহাড়ায় রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞ দল না আসা পর্যন্ত মাইনগুলো উদ্ধার বা সরানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত