কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকরা। তবে বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার বিস্তার বাড়ায় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। বর্তমানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আড়াই বছরের এক শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ইউনিট না থাকায় শিশুটিকে শিশু ও মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শিশুটির বাবা জানান, কয়েক দিন আগে জ্বরের কারণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে। হাসপাতালে ভর্তির পর বর্তমানে শিশুটির শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে।
এদিকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে কোনো ডেঙ্গু রোগী ভর্তি নেই। তবে সংক্রমণ মোকাবিলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ইকবাল হাসান বলেন, ‘ডেঙ্গু মশাবাহিত রোগ। জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, চোখের নিচে ব্যথা, শরীরে র্যাশ ও বমিভাব দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে আসতে হবে। আমাদের হাসপাতালে আইসোলেশন ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।’
ডা. ইকবাল হাসান আরও জানান, এডিস মশা সাধারণত স্বচ্ছ ও বদ্ধ পানিতে বংশবিস্তার করে। এসির পানি, ফুলের টব বা বাসার অন্য কোথাও জমে থাকা পানি দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও শারীরিকভাবে দুর্বল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সচেতনতা এবং মশারি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
/

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬
কুষ্টিয়ায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় চিকিৎসকরা। তবে বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার বিস্তার বাড়ায় সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। বর্তমানে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আড়াই বছরের এক শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ইউনিট না থাকায় শিশুটিকে শিশু ও মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শিশুটির বাবা জানান, কয়েক দিন আগে জ্বরের কারণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে রক্ত পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়ে। হাসপাতালে ভর্তির পর বর্তমানে শিশুটির শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে।
এদিকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে কোনো ডেঙ্গু রোগী ভর্তি নেই। তবে সংক্রমণ মোকাবিলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. ইকবাল হাসান বলেন, ‘ডেঙ্গু মশাবাহিত রোগ। জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, চোখের নিচে ব্যথা, শরীরে র্যাশ ও বমিভাব দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে আসতে হবে। আমাদের হাসপাতালে আইসোলেশন ব্যবস্থা প্রস্তুত রয়েছে।’
ডা. ইকবাল হাসান আরও জানান, এডিস মশা সাধারণত স্বচ্ছ ও বদ্ধ পানিতে বংশবিস্তার করে। এসির পানি, ফুলের টব বা বাসার অন্য কোথাও জমে থাকা পানি দ্রুত পরিষ্কার করতে হবে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও শারীরিকভাবে দুর্বল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সচেতনতা এবং মশারি ব্যবহারের ওপর জোর দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
/

আপনার মতামত লিখুন