সংবাদ

মহেশপুরে ৫০০ লাউ ও কুমড়া গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা


প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রতিনিধি, মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ এএম

মহেশপুরে ৫০০ লাউ ও কুমড়া গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা
মাঠে পড়ে আছে দুর্বৃত্তদের কেটে ফেলা লাউ গাছ। ছবি : সংবাদ

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় রাতের আঁধারে এক দরিদ্র কৃষকের প্রায় ৫০০ লাউ ও কুমড়া গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২৮ জুন) রাতে উপজেলার বোয়ালিয়া মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক আসাদুল ইসলাম।

আসাদুল ইসলাম জানান, ১৩২ শতক জমি লিজ নিয়ে তিনি লাউ ও কুমড়া চাষ করেছিলেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা। প্রতিটি গাছের ডগায় কচি লাউ ঝুলছিল। কয়েক দিন পরই ফসল বাজারে বিক্রি করার কথা ছিল। কিন্তু সকালে জমিতে গিয়ে দেখেন সব গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। দিশাহারা আসাদুল বলেন, ‘কারা এভাবে আমার পেটে লাথি মারল বুঝতে পারছি না। লিজের টাকা এখন কীভাবে শোধ করব?’

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মান্নান বলেন, মানুষের সঙ্গে মানুষের বিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু খেতের ফসল এভাবে কেটে নষ্ট করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন মনিরা জানান, বিষয়টি তিনি সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। ইতিমধ্যে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত এই ঘটনার তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬


মহেশপুরে ৫০০ লাউ ও কুমড়া গাছ কেটে দিল দুর্বৃত্তরা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় রাতের আঁধারে এক দরিদ্র কৃষকের প্রায় ৫০০ লাউ ও কুমড়া গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (২৮ জুন) রাতে উপজেলার বোয়ালিয়া মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন ভুক্তভোগী কৃষক আসাদুল ইসলাম।

আসাদুল ইসলাম জানান, ১৩২ শতক জমি লিজ নিয়ে তিনি লাউ ও কুমড়া চাষ করেছিলেন। এতে তার খরচ হয়েছে প্রায় দেড় লাখ টাকা। প্রতিটি গাছের ডগায় কচি লাউ ঝুলছিল। কয়েক দিন পরই ফসল বাজারে বিক্রি করার কথা ছিল। কিন্তু সকালে জমিতে গিয়ে দেখেন সব গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। দিশাহারা আসাদুল বলেন, ‘কারা এভাবে আমার পেটে লাথি মারল বুঝতে পারছি না। লিজের টাকা এখন কীভাবে শোধ করব?’

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মান্নান বলেন, মানুষের সঙ্গে মানুষের বিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু খেতের ফসল এভাবে কেটে নষ্ট করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন মনিরা জানান, বিষয়টি তিনি সংবাদকর্মীদের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। ইতিমধ্যে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত এই ঘটনার তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত