সংবাদ

জন্মের পরপরই নবজাতককে শালদুধ খাওয়ানোর পরামর্শ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০১:৫৭ পিএম

জন্মের পরপরই নবজাতককে শালদুধ খাওয়ানোর পরামর্শ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

জন্মের পরপরই নবজাতককে মায়ের শালদুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, "শালদুধই শিশুর জন্য সবচেয়ে বড় ভিটামিন 'এ'-এর প্রাকৃতিক উৎস। তাই এ বিষয়ে সামাজিক গণসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।"

আজ রোববার (২৮ জুন) রাজধানীর মিন্টু রোডের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জন্মের পর থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। এরপর বয়স অনুযায়ী পুষ্টিকর সম্পূরক খাবারের পাশাপাশি নিয়মিত মায়ের দুধ খাওয়ানো অব্যাহত রাখতে হবে। এছাড়াও পানি, মধু, চিনি বা অন্যান্য সুষম খাবার খাওয়াতে হবে, তাহলেই শিশুর সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত হবে।

টিকার মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মন্ত্রী বলেন, "আমাদের টিকার মান অত্যন্ত ভালো। এ বিষয়ে আমরা ইউনিসেফের সঙ্গে একটি কনফারেন্স করেছি। আন্তর্জাতিক টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে কঠোর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই এই উন্নতমানের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাই আমরা সম্পূর্ণ আশ্বস্ত যে, দেশের শিশুদের সর্বোচ্চ মানের টিকাই খাওয়ানো হচ্ছে।"

তিনি আরও জানান, এই কার্যক্রম সারাদেশে একযোগে চলছে এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ নয়। কোনো শিশু প্রথম দিন ক্যাপসুল নিতে না পারলে দ্বিতীয় দিনে, দ্বিতীয় দিন মিস করলে তৃতীয় দিনে এবং তৃতীয় দিনও মিস করলে চতুর্থ দিনে ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে কোনো শিশুই এই সুবিধা থেকে বাদ না পড়ে।

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের মজুত ও লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইউনিসেফের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে সরকারের হাতে লাল ও নীল মিলিয়ে প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে। এর মধ্যে আজকের ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য ১ লাখ আইইউ (IU) নীল রঙের ৩৫ লাখ ৪ হাজার ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য ২ লাখ আইইউ লাল রঙের ২ কোটি ২০ লাখ ৩১ হাজার ক্যাপসুল দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে আজ দেশের ২ কোটি ৫৫ লাখ ৩৪ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬


জন্মের পরপরই নবজাতককে শালদুধ খাওয়ানোর পরামর্শ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুন ২০২৬

featured Image

জন্মের পরপরই নবজাতককে মায়ের শালদুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, "শালদুধই শিশুর জন্য সবচেয়ে বড় ভিটামিন 'এ'-এর প্রাকৃতিক উৎস। তাই এ বিষয়ে সামাজিক গণসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যমকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।"

আজ রোববার (২৮ জুন) রাজধানীর মিন্টু রোডের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জন্মের পর থেকে ছয় মাস বয়স পর্যন্ত শিশুকে শুধু মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। এরপর বয়স অনুযায়ী পুষ্টিকর সম্পূরক খাবারের পাশাপাশি নিয়মিত মায়ের দুধ খাওয়ানো অব্যাহত রাখতে হবে। এছাড়াও পানি, মধু, চিনি বা অন্যান্য সুষম খাবার খাওয়াতে হবে, তাহলেই শিশুর সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত হবে।

টিকার মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মন্ত্রী বলেন, "আমাদের টিকার মান অত্যন্ত ভালো। এ বিষয়ে আমরা ইউনিসেফের সঙ্গে একটি কনফারেন্স করেছি। আন্তর্জাতিক টেস্টিং ল্যাবরেটরিতে কঠোর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই এই উন্নতমানের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। তাই আমরা সম্পূর্ণ আশ্বস্ত যে, দেশের শিশুদের সর্বোচ্চ মানের টিকাই খাওয়ানো হচ্ছে।"

তিনি আরও জানান, এই কার্যক্রম সারাদেশে একযোগে চলছে এবং কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ নয়। কোনো শিশু প্রথম দিন ক্যাপসুল নিতে না পারলে দ্বিতীয় দিনে, দ্বিতীয় দিন মিস করলে তৃতীয় দিনে এবং তৃতীয় দিনও মিস করলে চতুর্থ দিনে ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যাতে কোনো শিশুই এই সুবিধা থেকে বাদ না পড়ে।

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলের মজুত ও লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইউনিসেফের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন 'এ' ক্যাপসুল সংগ্রহ করা হয়েছে। বর্তমানে সরকারের হাতে লাল ও নীল মিলিয়ে প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ ক্যাপসুল মজুত রয়েছে। এর মধ্যে আজকের ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের জন্য ১ লাখ আইইউ (IU) নীল রঙের ৩৫ লাখ ৪ হাজার ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের জন্য ২ লাখ আইইউ লাল রঙের ২ কোটি ২০ লাখ ৩১ হাজার ক্যাপসুল দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে আজ দেশের ২ কোটি ৫৫ লাখ ৩৪ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত