সংবাদ

নাতির ছুরিকাঘাতে দাদির মৃত্যু, দাদা হাসপাতালে


প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রতিনিধি, গাইবান্ধা
প্রকাশ: ১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

নাতির ছুরিকাঘাতে দাদির মৃত্যু, দাদা হাসপাতালে
সাঘাটা থানা। ছবি : সংবাদ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে নাতির উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার দাদা। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার খামার পবনতাইড় গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম ফেরেজা বেগম (৬৬)। আহত আব্দুল করিমকে (৭১) গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত নাতিকে স্থানীয় লোকজন ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ কলহ চলছিল। এর জেরে আজ দুপুরে নাতি ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি নিয়ে তার বৃদ্ধ দাদা ও দাদির ওপর অতর্কিত হামলা চালান। তার এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে দুজনই রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ফেরেজা বেগমের হাতের কবজি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং গাল ও গলায় গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়।

তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দুজনকে উদ্ধার করেন। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা নাতিকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। স্বজনেরা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফেরেজা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। আব্দুল করিমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, অভিযুক্ত যুবককে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬


নাতির ছুরিকাঘাতে দাদির মৃত্যু, দাদা হাসপাতালে

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে নাতির উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে দাদি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার দাদা। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে উপজেলার খামার পবনতাইড় গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম ফেরেজা বেগম (৬৬)। আহত আব্দুল করিমকে (৭১) গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত নাতিকে স্থানীয় লোকজন ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে অভ্যন্তরীণ কলহ চলছিল। এর জেরে আজ দুপুরে নাতি ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো ছুরি নিয়ে তার বৃদ্ধ দাদা ও দাদির ওপর অতর্কিত হামলা চালান। তার এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে দুজনই রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ফেরেজা বেগমের হাতের কবজি প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং গাল ও গলায় গভীর ক্ষতের সৃষ্টি হয়।

তাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দুজনকে উদ্ধার করেন। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়রা নাতিকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। স্বজনেরা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফেরেজা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। আব্দুল করিমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, অভিযুক্ত যুবককে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত