বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা ও রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের জন্য ৬০০ কেজি হাঁড়িভাঙা এবং আম্রপালি আম পাঠানো হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের বাংলাদেশ মিশনের প্রতিনিধিদ্বয়ের কাছে এসব আম পৌঁছে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ১২০টি কার্টনে ৬০০ কেজি আমভর্তি একটি কাভার্ডভ্যান আগরতলা স্থলবন্দরে পৌঁছে। বুধবার (১ জুলাই) বিষয়টি জানাজানি হয়।
আমগুলোর কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিংয়ের কাজ করেছে আখাউড়া স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সোয়েব ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল।
আখাউড়া স্থলবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বছরই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে উপহার হিসেবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আম পাঠানো হয়। এর বিপরীতে ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের তরফ থেকেও উপহার হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য ত্রিপুরার বিখ্যাত 'কুইন' জাতের আনারস পাঠানো হয়।
এবারও সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১২০টি কার্টনে ৬০০ কেজি হাঁড়িভাঙা ও আম্রপালি আম পাঠানো হয়।
স্থলবন্দরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমগুলো দুই দেশের শূন্যরেখা থেকে গ্রহণ করেন ত্রিপুরাস্থ বাংলাদেশ সরকারের সহকারী হাইকমিশন অফিসের কর্মকর্তারা। পরে তারা সেখান থেকে আমগুলো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা ও রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের কাছে পৌঁছে দেবেন।
এ ব্যাপারে সোয়েব ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী রাজীব আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের জন্য ৬০০ কেজি হাঁড়িভাঙা এবং আম্রপালি আম আগরতলাস্থ বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে। হাইকমিশন থেকে আমগুলো রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে পাঠানোর কথা রয়েছে।’
প্রতিবছর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে এই ফলবিনিময় প্রথা দুই দেশের কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের একটি উষ্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন।

বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা ও রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের জন্য ৬০০ কেজি হাঁড়িভাঙা এবং আম্রপালি আম পাঠানো হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের বাংলাদেশ মিশনের প্রতিনিধিদ্বয়ের কাছে এসব আম পৌঁছে দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ১২০টি কার্টনে ৬০০ কেজি আমভর্তি একটি কাভার্ডভ্যান আগরতলা স্থলবন্দরে পৌঁছে। বুধবার (১ জুলাই) বিষয়টি জানাজানি হয়।
আমগুলোর কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিংয়ের কাজ করেছে আখাউড়া স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সোয়েব ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল।
আখাউড়া স্থলবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বছরই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে উপহার হিসেবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আম পাঠানো হয়। এর বিপরীতে ত্রিপুরা রাজ্য সরকারের তরফ থেকেও উপহার হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য ত্রিপুরার বিখ্যাত 'কুইন' জাতের আনারস পাঠানো হয়।
এবারও সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ১২০টি কার্টনে ৬০০ কেজি হাঁড়িভাঙা ও আম্রপালি আম পাঠানো হয়।
স্থলবন্দরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমগুলো দুই দেশের শূন্যরেখা থেকে গ্রহণ করেন ত্রিপুরাস্থ বাংলাদেশ সরকারের সহকারী হাইকমিশন অফিসের কর্মকর্তারা। পরে তারা সেখান থেকে আমগুলো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা ও রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের কাছে পৌঁছে দেবেন।
এ ব্যাপারে সোয়েব ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী রাজীব আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের জন্য ৬০০ কেজি হাঁড়িভাঙা এবং আম্রপালি আম আগরতলাস্থ বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে। হাইকমিশন থেকে আমগুলো রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে পাঠানোর কথা রয়েছে।’
প্রতিবছর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে এই ফলবিনিময় প্রথা দুই দেশের কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের একটি উষ্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে আছে। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন।

আপনার মতামত লিখুন