অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৬ সালে সাইপ্রাসের বিতর্কিত ‘গোল্ডেন পাসপোর্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটির নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন এস আলম।
বাংলাদেশি তদন্তকারীদের নথি অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ভুয়া কোম্পানি ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তার ব্যাংক জালিয়াতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই আদালতের আদেশের একদিন পরই বাংলাদেশের একটি আদালত ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রায় ৬ মিলিয়ন ইউরোর ঋণ জালিয়াতির মামলায় এস আলমসহ তার ১০ আত্মীয় ও সহযোগীকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেয়। অভিযোগ রয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ ঋণ ১৩৪টি বাস কেনার জন্য নেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো বাস কেনা হয়নি।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, এস আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দেশের মূল ধারার আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেয়, যার অনেকগুলোই পরে খেলাপিতে পরিণত হয়। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর বড় প্রভাব পড়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর সম্প্রতি জানিয়েছেন, "এই প্রক্রিয়ায় দেশ থেকে প্রায় ৮ বিলিয়ন ইউরোর (৮০০ কোটি ইউরো) বেশি অর্থ পাচার করা হয়েছে।"
বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের ধারণা, এই পাচার করা অর্থের একটি বড় অংশ সাইপ্রাস, সিঙ্গাপুর ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের বিভিন্ন সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করা হয়েছে। বর্তমানে তদন্তের অংশ হিসেবে ২০১৬ সালে এস আলমের অধিগ্রহণ করা ‘এসিএলএআরই ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি কোম্পানির কার্যক্রমসহ সাইপ্রাস, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস ও জার্সিতে থাকা বিভিন্ন কোম্পানি ও ট্রাস্টের মালিকানা কাঠামো এবং তাদের সব আর্থিক লেনদেন নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় তদন্ত সংস্থাগুলো।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০১৬ সালে সাইপ্রাসের বিতর্কিত ‘গোল্ডেন পাসপোর্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটির নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন এস আলম।
বাংলাদেশি তদন্তকারীদের নথি অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ভুয়া কোম্পানি ও আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তার ব্যাংক জালিয়াতি, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই আদালতের আদেশের একদিন পরই বাংলাদেশের একটি আদালত ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রায় ৬ মিলিয়ন ইউরোর ঋণ জালিয়াতির মামলায় এস আলমসহ তার ১০ আত্মীয় ও সহযোগীকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেয়। অভিযোগ রয়েছে, এই বিপুল পরিমাণ ঋণ ১৩৪টি বাস কেনার জন্য নেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো বাস কেনা হয়নি।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, এস আলমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান দেশের মূল ধারার আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেয়, যার অনেকগুলোই পরে খেলাপিতে পরিণত হয়। দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর বড় প্রভাব পড়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর সম্প্রতি জানিয়েছেন, "এই প্রক্রিয়ায় দেশ থেকে প্রায় ৮ বিলিয়ন ইউরোর (৮০০ কোটি ইউরো) বেশি অর্থ পাচার করা হয়েছে।"
বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের ধারণা, এই পাচার করা অর্থের একটি বড় অংশ সাইপ্রাস, সিঙ্গাপুর ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের বিভিন্ন সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করা হয়েছে। বর্তমানে তদন্তের অংশ হিসেবে ২০১৬ সালে এস আলমের অধিগ্রহণ করা ‘এসিএলএআরই ইন্টারন্যাশনাল’ নামের একটি কোম্পানির কার্যক্রমসহ সাইপ্রাস, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস ও জার্সিতে থাকা বিভিন্ন কোম্পানি ও ট্রাস্টের মালিকানা কাঠামো এবং তাদের সব আর্থিক লেনদেন নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় তদন্ত সংস্থাগুলো।

আপনার মতামত লিখুন