গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা ও ঘাঘট নদীর পানি কমতে শুরু করলেও এখন বিপত্তি বাড়িয়েছে করতোয়া। গত কয়েক দিন ধরে করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার অন্তত ১২টি পয়েন্টে নদীর পাড় ধসে ফসলি জমি ও বসতভিটা বিলীন হচ্ছে। ফলে চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের।
উপজেলার সমসপাড়া, পশ্চিম সমসপাড়া, কাঁটাখালি, বালুপাড়া, কায়াগঞ্জ ও গোসাইপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো কৃষকের জমি বা ভিটা নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। নিজেদের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন অনেকে।
ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভাঙন ঠেকাতে বারবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পাউবোর এমন নির্লিপ্ততায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলাসহ স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
নদীতীরের বাসিন্দারা জানান, অন্য নদীগুলোর পানি কমলেও করতোয়ার পানি হুট করে বেড়ে যাওয়ায় স্রোত সরাসরি পাড়ে আঘাত করছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে আরও বড় এলাকা নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
\

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
গাইবান্ধায় তিস্তা, যমুনা ও ঘাঘট নদীর পানি কমতে শুরু করলেও এখন বিপত্তি বাড়িয়েছে করতোয়া। গত কয়েক দিন ধরে করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে উপজেলার অন্তত ১২টি পয়েন্টে নদীর পাড় ধসে ফসলি জমি ও বসতভিটা বিলীন হচ্ছে। ফলে চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের।
উপজেলার সমসপাড়া, পশ্চিম সমসপাড়া, কাঁটাখালি, বালুপাড়া, কায়াগঞ্জ ও গোসাইপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিনই কোনো না কোনো কৃষকের জমি বা ভিটা নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। নিজেদের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন অনেকে।
ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভাঙন ঠেকাতে বারবার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পাউবোর এমন নির্লিপ্ততায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলাসহ স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
নদীতীরের বাসিন্দারা জানান, অন্য নদীগুলোর পানি কমলেও করতোয়ার পানি হুট করে বেড়ে যাওয়ায় স্রোত সরাসরি পাড়ে আঘাত করছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে আরও বড় এলাকা নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
\

আপনার মতামত লিখুন