খিলগাঁও থানাধীন দক্ষিণ গোড়ান এলাকায় এক তরুণী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। সংবাদ প্রাপ্তির মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে নিহতের স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় দক্ষিণ গোড়ান এলাকার হাজী মসজিদের সামনে একটি বাসা থেকে সানজিদা আক্তার মারিয়ার (২০) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গলায় পাটের সুতলি প্যাঁচানো অবস্থায় লাশ পাওয়া গেলে প্রথমে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শনিবার (১১ জুলাই) নিহতের ভাই বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজুর পরপরই খিলগাঁও থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান শুরু করে।
রাত সোয়া ৩টার দিকে নিহতের স্বামী সাইফুল ইসলামকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
খিলগাঁও থানা সূত্রে জানা যায়, সাইফুল ইসলামের বাবা-মাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, প্রায় এক বছর আগে সানজিদা আক্তার মারিয়ার সঙ্গে সাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। মারিয়া লালমাটিয়া মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। পাশাপাশি টিউশনি করে সংসারের খরচে সহযোগিতা করতেন।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
খিলগাঁও থানাধীন দক্ষিণ গোড়ান এলাকায় এক তরুণী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। সংবাদ প্রাপ্তির মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে নিহতের স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সন্ধ্যায় দক্ষিণ গোড়ান এলাকার হাজী মসজিদের সামনে একটি বাসা থেকে সানজিদা আক্তার মারিয়ার (২০) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গলায় পাটের সুতলি প্যাঁচানো অবস্থায় লাশ পাওয়া গেলে প্রথমে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শনিবার (১১ জুলাই) নিহতের ভাই বাদী হয়ে খিলগাঁও থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা রুজুর পরপরই খিলগাঁও থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ এবং প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান শুরু করে।
রাত সোয়া ৩টার দিকে নিহতের স্বামী সাইফুল ইসলামকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
খিলগাঁও থানা সূত্রে জানা যায়, সাইফুল ইসলামের বাবা-মাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, প্রায় এক বছর আগে সানজিদা আক্তার মারিয়ার সঙ্গে সাইফুল ইসলামের বিয়ে হয়। মারিয়া লালমাটিয়া মহিলা কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। পাশাপাশি টিউশনি করে সংসারের খরচে সহযোগিতা করতেন।

আপনার মতামত লিখুন