২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই পরাশক্তি স্পেন ও ফ্রান্স। বিশ্ব ফুটবলের এই জমজমাট লড়াই পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন এল সালভাদরের রেফারি ইভান বার্টন। ৩৫ বছর বয়সী এই রেফারি চলতি বিশ্বকাপে এটি নিয়ে চতুর্থ ম্যাচ পরিচালনা করবেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইভান বার্টনের সাথে সহকারী রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডেভিড মোরান ও আন্তোনিও পুপিরো। এছাড়া চতুর্থ কর্মকর্তা হিসেবে থাকবেন গ্লেন নিয়বার্গ এবং রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে থাকবেন মাহবোদ বেইগি।
মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এই ম্যাচটি হতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে মহামূল্যবান লড়াই। স্পেন এবং ফ্রান্সের খেলোয়াড়দের সম্মিলিত বাজারমূল্য প্রায় ৩.১০ বিলিয়ন ডলার বা ৩৮ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা।
হিসাব অনুযায়ী ফ্রান্সের বর্তমান স্কোয়াডের মূল্য ১.৫২ বিলিয়ন ইউরো এবং স্পেনের দলটির মূল্য ১.২২ বিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ বাজারমূল্যের দিক থেকে দিদিয়ের দেশমের দল স্পেনের চেয়ে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ইউরো এগিয়ে রয়েছে। এই সেমিফাইনালে বিশ্বের সবচেয়ে দামি পাঁচ ফুটবলারের মধ্যে চারজনই মাঠে নামবেন। এদের মধ্যে স্পেনের লামিনে ইয়ামালের বাজারমূল্য ২০০ মিলিয়ন ইউরো, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপের ১৮০ মিলিয়ন ইউরো এবং মাইকেল ওলিসে ও পেদ্রি গনসালেস উভয়েরই বাজারমূল্য ১৫০ মিলিয়ন ইউরো।
দুই দলের খেলোয়াড়দের বাজারমূল্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, শত মিলিয়নের ক্লাবে ফ্রান্সের আধিপত্য স্পষ্ট। দুই দল মিলিয়ে সাতজন খেলোয়াড়ের বাজারমূল্য ১০০ মিলিয়ন ইউরো বা তার বেশি। ৫০ মিলিয়ন ইউরো বা তার বেশি মূল্যমানের খেলোয়াড়ের তালিকায় ফ্রান্সের ১৫ জন এবং স্পেনের ৭ জন খেলোয়াড় রয়েছেন।
মাঠের বিভিন্ন বিভাগ অনুযায়ী, গোলরক্ষকদের মূল্যে স্পেন এগিয়ে থাকলেও রক্ষণভাগে এগিয়ে রয়েছে ফ্রান্স। আবার মিডফিল্ডের লড়াইয়ে ৪২০ মিলিয়ন ইউরো নিয়ে স্পেন শীর্ষে আছে, যেখানে ফ্রান্সের মিডফিল্ডের মূল্য ৩১২ মিলিয়ন ইউরো। তবে আক্রমণভাগে ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড ও উইঙ্গারদের সম্মিলিত বাজারমূল্য ৭৫০ মিলিয়ন ইউরো হওয়ায় সামগ্রিকভাবে ফরাসি স্কোয়াড অনেক বেশি দামি।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে ফেবারিট হিসেবে সেমিফাইনালে উঠলেও পরিসংখ্যানের বিচারে স্পেনের বিপক্ষে চাপে থাকবে ফ্রান্স। দুই দলের সর্বশেষ ১০ দেখায় স্পেন জিতেছে ৭টিতে এবং ফ্রান্স জয় পেয়েছে মাত্র ২টিতে। সব মিলিয়ে দুই দলের ৩৮টি মুখোমুখি লড়াইয়ে স্পেনের জয় ১৮টি এবং ফ্রান্সের ১৩টি।
তবে ফ্রান্স এই পরিসংখ্যান বদলে ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে, অন্যদিকে স্পেনও তাদের সাম্প্রতিক আধিপত্য বজায় রেখে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে মরিয়া। তারকা খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে এই ম্যাচটি শুধু ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, বরং বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলারদের শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ইউরোপের দুই পরাশক্তি স্পেন ও ফ্রান্স। বিশ্ব ফুটবলের এই জমজমাট লড়াই পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন এল সালভাদরের রেফারি ইভান বার্টন। ৩৫ বছর বয়সী এই রেফারি চলতি বিশ্বকাপে এটি নিয়ে চতুর্থ ম্যাচ পরিচালনা করবেন।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ইভান বার্টনের সাথে সহকারী রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডেভিড মোরান ও আন্তোনিও পুপিরো। এছাড়া চতুর্থ কর্মকর্তা হিসেবে থাকবেন গ্লেন নিয়বার্গ এবং রিজার্ভ সহকারী রেফারি হিসেবে থাকবেন মাহবোদ বেইগি।
মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এই ম্যাচটি হতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে মহামূল্যবান লড়াই। স্পেন এবং ফ্রান্সের খেলোয়াড়দের সম্মিলিত বাজারমূল্য প্রায় ৩.১০ বিলিয়ন ডলার বা ৩৮ হাজার ২৪৩ কোটি টাকা।
হিসাব অনুযায়ী ফ্রান্সের বর্তমান স্কোয়াডের মূল্য ১.৫২ বিলিয়ন ইউরো এবং স্পেনের দলটির মূল্য ১.২২ বিলিয়ন ইউরো। অর্থাৎ বাজারমূল্যের দিক থেকে দিদিয়ের দেশমের দল স্পেনের চেয়ে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ইউরো এগিয়ে রয়েছে। এই সেমিফাইনালে বিশ্বের সবচেয়ে দামি পাঁচ ফুটবলারের মধ্যে চারজনই মাঠে নামবেন। এদের মধ্যে স্পেনের লামিনে ইয়ামালের বাজারমূল্য ২০০ মিলিয়ন ইউরো, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপের ১৮০ মিলিয়ন ইউরো এবং মাইকেল ওলিসে ও পেদ্রি গনসালেস উভয়েরই বাজারমূল্য ১৫০ মিলিয়ন ইউরো।
দুই দলের খেলোয়াড়দের বাজারমূল্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, শত মিলিয়নের ক্লাবে ফ্রান্সের আধিপত্য স্পষ্ট। দুই দল মিলিয়ে সাতজন খেলোয়াড়ের বাজারমূল্য ১০০ মিলিয়ন ইউরো বা তার বেশি। ৫০ মিলিয়ন ইউরো বা তার বেশি মূল্যমানের খেলোয়াড়ের তালিকায় ফ্রান্সের ১৫ জন এবং স্পেনের ৭ জন খেলোয়াড় রয়েছেন।
মাঠের বিভিন্ন বিভাগ অনুযায়ী, গোলরক্ষকদের মূল্যে স্পেন এগিয়ে থাকলেও রক্ষণভাগে এগিয়ে রয়েছে ফ্রান্স। আবার মিডফিল্ডের লড়াইয়ে ৪২০ মিলিয়ন ইউরো নিয়ে স্পেন শীর্ষে আছে, যেখানে ফ্রান্সের মিডফিল্ডের মূল্য ৩১২ মিলিয়ন ইউরো। তবে আক্রমণভাগে ফ্রান্সের ফরোয়ার্ড ও উইঙ্গারদের সম্মিলিত বাজারমূল্য ৭৫০ মিলিয়ন ইউরো হওয়ায় সামগ্রিকভাবে ফরাসি স্কোয়াড অনেক বেশি দামি।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে ফেবারিট হিসেবে সেমিফাইনালে উঠলেও পরিসংখ্যানের বিচারে স্পেনের বিপক্ষে চাপে থাকবে ফ্রান্স। দুই দলের সর্বশেষ ১০ দেখায় স্পেন জিতেছে ৭টিতে এবং ফ্রান্স জয় পেয়েছে মাত্র ২টিতে। সব মিলিয়ে দুই দলের ৩৮টি মুখোমুখি লড়াইয়ে স্পেনের জয় ১৮টি এবং ফ্রান্সের ১৩টি।
তবে ফ্রান্স এই পরিসংখ্যান বদলে ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে, অন্যদিকে স্পেনও তাদের সাম্প্রতিক আধিপত্য বজায় রেখে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে মরিয়া। তারকা খেলোয়াড়দের উপস্থিতিতে এই ম্যাচটি শুধু ফাইনালে ওঠার লড়াই নয়, বরং বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ফুটবলারদের শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন