সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে হত্যার পর ক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে অভিযুক্ত নারী নিহত হওয়ার ঘটনায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার গভীর রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন। তার সফরের পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২০ জুলাই) কালিগঞ্জ থানার ৬ নম্বর কালিবাটি কাজলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ফারজানা খানম (৮) বিদ্যালয়ে ব্যাগ রেখে নিখোঁজ হয়। সে নলতা গ্রামের এনামুল ইসলামের মেয়ে। দুপুরে সে বাড়িতে না ফেরায় স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সন্দেহবশত প্রতিবেশী ঝালমুড়ি বিক্রেতা সুমাইয়া বেগমের (২৬) ঘরে তল্লাশি চালায় এলাকাবাসী। সেখানে আলমারির ড্রয়ারের ভেতর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় উত্তেজিত জনতা সুমাইয়া বেগমকে লাঠি ও ইট দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দুটি মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার দিবাগত রাতে অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি এলাকাবাসীকে শান্ত থাকার এবং আইন হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানান। ডিআইজির উপস্থিতিতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কালিগঞ্জ থানার পুলিশ জানায়, এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
/

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে হত্যার পর ক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে অভিযুক্ত নারী নিহত হওয়ার ঘটনায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সোমবার গভীর রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন। তার সফরের পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২০ জুলাই) কালিগঞ্জ থানার ৬ নম্বর কালিবাটি কাজলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী ফারজানা খানম (৮) বিদ্যালয়ে ব্যাগ রেখে নিখোঁজ হয়। সে নলতা গ্রামের এনামুল ইসলামের মেয়ে। দুপুরে সে বাড়িতে না ফেরায় স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে সন্দেহবশত প্রতিবেশী ঝালমুড়ি বিক্রেতা সুমাইয়া বেগমের (২৬) ঘরে তল্লাশি চালায় এলাকাবাসী। সেখানে আলমারির ড্রয়ারের ভেতর থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এই ঘটনায় উত্তেজিত জনতা সুমাইয়া বেগমকে লাঠি ও ইট দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে দুটি মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। জোড়া মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
সোমবার দিবাগত রাতে অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি এলাকাবাসীকে শান্ত থাকার এবং আইন হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানান। ডিআইজির উপস্থিতিতে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কালিগঞ্জ থানার পুলিশ জানায়, এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
/

আপনার মতামত লিখুন